
স্টাফ রিপোর্টারঃ
গত রবিবার সকাল ৯ ঘটিকায় প্রতিদিনের মতো বাসার কাজ শেষে তার ছাগল নিয়ে বাহিরে যাবে এ অবস্থায় তার স্বামী সতীন বানু বেগমের বাসা থেকে নারগিছের বাসায় আসে এসে জামা কাপড় খুলে সে ভিটাতে কাজের জন্য চলে যায় যাওয়ার পরপর বাসার ভিতরে গ্রিলের গেট লাগিয়ে টিনের বাউন্ডারি গেটে একটি তালা মেরে ছাগল নিয়ে পাশের ভিটায় বেঁধে রেখে আসার সময় দেখে তার বাসার টিনের বাউন্ডারি গেটের তালাভাঙ্গা গেটটাও ভাঙ্গা দ্রুত ভিতরে প্রবেশ করি ভিতরে যেয়ে আমার ঘরে ভিতরে ঢুকে দেখি আমার ঘরে বিভিন্ন কাপড় চোপড় এলোমেলো এবং ওয়ার ড্রবের এর তালা ভাঙ্গা যেখানে আমার ৭৫ হাজার টাকা সোনার একটি মালা ও একটি আন্টি নেই আমি দ্রত রুম থেকে বের হয়ে পাশের রুমে দেখি আমার সতীন বানু বেগম আমার ঘরের খোঁজাখুজি করতেছে তখন আমি তাকে বললাম কি খোঁজাখুঁজি করতেছো আমার ঘরের ভেতর থেকে নগদ ৭৫ হাজার টাকা একটি সোনার চেইন একটি আংটি নেই তোমার ব্যাগটা দাও কথাটি বলিলে সে কোন কথা না বলে চুপ করে থাকে তখন আমি আরো বলি তুমি আমার বাসায় কেন এসেছো আমার বাসার তালা কেন ভেঙ্গেছো এ অবস্থায় সে আমাকে ঝাটকা মেরে পালিয়ে যেতে লাগলে আমি তাকে আবার ধরে ফেলি টানাটানির একপর্যায়ে সে আমাকে লাথি মেরে ফেলে দেয় এমন তো অবস্থায় আমি চিৎকার চেঁচামেচি করলে পাশের প্রতিবেশীদের মধ্যে কয়েকজন এগিয়ে আসে তাকে ধরার চেষ্টা করলে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায় আরো এলাকা বাসি এসে দেখেন আমি তখন আমার স্বামীর কাছে যায় এবং স্বামীকে যেয়ে বলি লাম তোমার দ্বিতীয় স্ত্রী বানু বেগম আমার বাসায় এসেটিনের বাউন্ডারি গেট ওয়ার্ড ড্রপ ভেঙ্গে আমার নগদ ৭৫ হাজার টাকা একটি সোনার চেইন কটি আংটি চুরি করে পালানোর সময় আমি তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলি এবং সে আমাকে লাতি এবং ধাক্কা মেরে পালিয়ে চলে যায় এলাকার প্রতিবেশীরা ও দেখছে আমার স্বামী তখন তার বাসায় যেয়ে দেখে সে বাসায় নেই অনেক খোঁজাখুঁজি করার পরে তাকে না পাওয়ায় এলাকাবাসী আমার আত্মীয়-স্বজন তাদের সাথে আলোচনা করার পর। গত রবিবারের ঘটনায় আমার চুরি যাওয়া ক্ষতিপূরণের মূল্য ১ লক্ষ ৭৫ হাজার এক১০০শত পঁচিশ২৫ টাকা । ঘটনায় আমার নগদ ৭৫০০০হাজার টাকা ।একটি আংটির দের আনা মূল্য ২৪০০০ হাজার টাকা । একটি সোনার চেইন পাঁচ আনা মূল্য ৭৮ হাজার ১২৫ টাকা মূল্ আমি মোছা নার্গিস বেগম সশরীরে উপস্থিত হয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানায় এজাহার করিলাম