গোলালগঞ্জ কাশিয়ানী বাজারে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ডাঃ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ভুক্তভোগীর
প্রতিনিধির নাম :
প্রকাশিত:
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
৭
বার পড়া হয়েছে
বিশেষ প্রতিবেদকঃ
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী বাজারে অবস্থিত বিসমিল্লাহ হোমিওপ্যাথি চেম্বারের চিকিৎসক হিসেবে পরিচিতি ডাঃ শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বাটপারির অভিযোগ উঠেছে। তিনি অনলাইনে ঔষধ অর্ডার নিয়ে প্রতিশ্রুত না রাখায় বিভিন্ন নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ চালিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণা করে বলে একাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ এর মধ্যে একজন ভুক্তভোগী বলেন যে তিনি কাশিয়ানী বাজারে বিসমিল্লাহ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ডাঃ শহিদুল ইসলামের নিকট হইতে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে তিনটি ঔষধ অর্ডার করেন।
এবং ঔষধের মূল্য ১৬৫০ টাকা পরিশোধ করেন পরবর্তীতে তিনি অনলাইনে পাঠাও কুরিয়ার সার্ভিসের এর মাধ্যমে সিল করা একটি প্যাকেট গ্রহণ করেন বাসায় গিয়ে প্যাকেটটি খুলে দেখেন দুটি ওষুধ ৩ ফাইল দিয়েছে কিন্তু তিন নাম্বার ওষুধটি যেটার নাম ছিল Damiano এইটা নাই ।
তখন তিনি ডাঃ শহিদুল ইসলামকে ফোনে বিষয়টি জানান উত্তরে ডাঃ শহিদুল ইসলাম বলেন যে কাগজ লাগাতে ভুল হয়েছে বলেই ফোনটি কেটে দেন তখন তার সন্দেহ হয় তিনি আবার ফোন দেন কিন্তু ফোন আর রিসিভ করেন না এভাবে একাধিকবার ফোন দিয়ে যখন যোগাযোগ করতে পারেন নাই তখন মেসেজ করেন কিন্তু কোন উত্তর পাওয়া যায় নাই বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে ডাঃ শহিদুল ইসলাম বলেন ওইটা তার হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার না।
তখন সেই ভুক্তভোগী তাকে কিছু প্রশ্ন করেন কিন্তু ডাঃ শহিদুল ইসলাম কোন প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ফোনটি কেটে দেয়। তখন তাকে আবার ফোন এবং মেসেজ দিয়ে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয় কিন্তু কোন রিপ্লাই ও উত্তর পাওয়া যায় নাই ।
হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে একাধিক মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা ইনকাম করে থাকে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারী বলেন ভোক্তা হিসেবে আম হয়েছি ডঃ শহিদুল ইসলাম একজন প্রতারক বাটপার তিনি বিভিন্ন নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে সাধারণ জনগণের কাছ থেকে প্রচারণা করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে
এ ঘটনায় তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রতারিত হয়েছে বলেও জানান। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ টাকা নেওয়ার পর ও অর্ডার অনুযায়ী ঔষধ সরবরাহ করা হয় না
বিষয়টি সমাধানের জন্য যোগাযোগ করেও কোন সাড়া পাওয়া যায় নাই ভুক্তভোগী এ ঘটনায় সুষ্ঠ তদন্ত এবং তার পাওনা ঔষধ অথবা টাকা ফেরত পাওয়ার বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন যারা অনলাইনে এই ধরনের কাজ করেন তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। অভিযোগটি অতি দ্রুত যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ডাঃ শহিদুল ইসলাম ও বিসমিল্লাহ হোমিওপ্যাথি চেম্বারে বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হোক।