
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে না পারায় রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের বিধান চালুর বিষয়টি বিবেচনা করছে বিরোধী জোটের দলগুলো। আরব দলগুলোর সমর্থন ছাড়াই সংখ্যালঘু সরকার গঠনের সুযোগ তৈরি করতে এমন উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবছে তারা। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ‘দ্য টাইমস অব ইসরায়েল’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে ভোটাররা পার্লামেন্টের পাশাপাশি আলাদাভাবে প্রধানমন্ত্রীও নির্বাচন করবেন। প্রস্তাবকদের ধারণা, মঙ্গলবারের নির্বাচনের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে এটি একটি সম্ভাব্য পথ হতে পারে। ওই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট কিংবা তার বিরোধী পক্ষ কেউই নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
এই পদ্ধতি চালু হলে সরাসরি ভোটে প্রধানমন্ত্রী পদে কোনো প্রার্থী জয়ী হওয়ার পর নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকলেও তাঁর পক্ষে সংখ্যালঘু সরকার গঠনের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এর আগে ২০২১ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত অনির্ণায়ক নির্বাচনের পর একই ধরনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। সে সময় নিজে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় জোট গড়তে ব্যর্থ হয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ধারণা সামনে এনেছিলেন তিনি।
তবে ইসরায়েলের আধা-সাংবিধানিক মৌলিক আইন ‘দ্য গভর্নমেন্ট’ অনুযায়ী, নতুন সরকারকে শপথ নেওয়ার আগে ১২০ আসনের নেসেটে আস্থা ভোটে জয়ী হতে হয়। তাই সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ব্যবস্থা চালু করতে হলে বিদ্যমান আইন সংশোধন করতে হবে। এ জন্য পার্লামেন্টের অন্তত ৬১ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন।