
আব্দুল হালিম,বিশেষ প্রতিবেদকঃ
প্রধান শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষার্থীদের প্রহার, দূর্নীতি অনিয়ম ও ক্ষুদ্র মেরামতের অর্থ আত্মসাৎ তদন্তে প্রমানিত। ঘটনাটি ঘটেছে সম্প্রতি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার খোড়াগাছ ইউনিয়ন্থ রূপসী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক জহুরুল হক বিদ্যালয়ে সপ্তাহে ৩/৪ দিন রংপুর শহর থেকে আসলেও হাজিরা খাতায় না আসলেও স্বাক্ষর করেন। শ্রেনীতে মোবাইল ব্যবহার ও শিক্ষার্থীদের প্রহার করেন। বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ নেই অথচ ৪ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। কন্টিজেন্সী বিলবাবদ ৮ হাজার টাকা, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ৩ হাজার টাকা ব্যয় না করে আত্মসাৎ করেন। শিক্ষার্থীদের ভয়ভিতি ও প্রহার করেন। খেলা বাবদ ৪ হাজার টাকা, প্রাক প্রাথমিক এর ৭ হাজার টাকা উত্তোলন করে ব্যয় না করে আত্মসাৎ করেন। তিনি শিক্ষক শিক্ষিকাদের সাথে ভাল আচরন করেন না। এছাড়াও বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কার বাবদ ৩ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে,সংস্কার না করে শুধু রংকরে বিদ্যালয় সভাপতি সহ টাকা আত্মসাৎ করেন। এ দূর্নিতি সংক্রান্ত এলাকাবাসীর পক্ষে সাজ্জাদ আলী খন্দকার গত ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র রায় সিনিয়র এটিইও সাহেদুল হক ও মনিরুজ্জামানকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। আজ ২০ জুলাই সরেজমিন তদন্ত করেন। তদন্তে উপরোক্ত দূর্নীতি প্রমানিত হয়।এলাকার অভিভাবক উক্ত প্রধান শিক্ষক জহুরুল হকের বরখাস্ত দাবি করেছেন।
Leave a Reply