
স্টাফ রিপোর্টারঃ
সিলেট জেলা নির্বাচন অফিসে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধন সেবা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন এক সেবাগ্রহীতা। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযোগকারী মোছাঃ ফাতেমা বেগম পপি জানান, এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিয়ে তিনি জেলা নির্বাচন অফিসে গেলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ মনজুরুল আলম তার আবেদনপত্র পর্যালোচনা করে অনলাইনে অতিরিক্ত কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করতে বলেন। নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি দুই দিন পর সব প্রয়োজনীয় নথি অনলাইনে জমা দেন।
পরবর্তীতে তিনি পুনরায় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করলে তাকে জানানো হয়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গ্রহণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী বিষয়ে মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠানো হবে। তবে অফিস থেকে বের হওয়ার সময়ই তিনি মোবাইলে একটি বার্তা পান, যেখানে উল্লেখ ছিল যে তার আবেদন তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, এতে তিনি বিস্মিত হন। তার অভিযোগ, অফিসের এক কম্পিউটার অপারেটর সুমন তাকে বলেন এসব কাজ স্যার টাকা ছাড়া করেন না। তবে এই বক্তব্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মোছাঃ ফাতেমা বেগম পপি আরও অভিযোগ করেন, ঘুষ না দেওয়ায় তার আবেদন অনুমোদন না দিয়ে তদন্তে পাঠানো হয়েছে এবং এর ফলে তাকে নতুন করে হয়রানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
এদিকে, একই সময়ে উপস্থিত কয়েকজন সেবাগ্রহীতাও অভিযোগ করেন, এনআইডি সংশোধনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক কাগজপত্র চাওয়া এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির ঘটনা প্রায়ই ঘটে। তাদের দাবি, এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানিমুক্তভাবে সরকারি সেবা পেতে পারেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ মনজুরুল আলমের বক্তব্য এই প্রতিবেদন প্রকাশের আগে পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
Leave a Reply