
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় চলতি সপ্তাহে টানা বৃষ্টিতে সবজির দাম কমলেও চড়া মাছের বাজার।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সোনামুখী, মেঘাই, আলমপুর ও সিমান্তবাজার থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। গত সপ্তাহের বাজার দরের সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, অধিকাংশ সবজির দাম কেজিতে ৫-১০ টাকা কমেছে। পটল ২০ টাকা, ঢেঁড়স ২০ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০-১৫০ টাকা, শসা ৭০ টাকা, পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া ৩০-৪০ টাকা, পুঁইশাক ৪০ টাকা, আলু ২৫-৩০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩০-৪০ টাকা, লাউ ৩০-৪০ টাকা পিস এবং রসুন ৭০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছ বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি রুই ২৫০-৩০০, কৈ মাছ ২৫০-২৮০ টাকা কেজি, কাতলা মাছ ২৫০-৩০০, পাবদা ৩৫০-৪০০, ছোট চিংড়ি ৬৫০-৮০০, টাকি ২২০-২৫০, তেলাপিয়া ও পাঙাশ ১৮০-২০০, ট্যাংরা ৫০০-৬০০ এবং দেশি বড় পুঁটি মাছ ১৫০-১৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, মুরগির মধ্যে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৭০-১৮০, সোনালি ২৭০-২৮০ এবং লেয়ার ২৮০-৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ডিম ৩০ পিচ ২৭০-২৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
মাথাইলচাপড় বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আমির হোসেন বলেন, ‘বৃষ্টিতে বাজারে ক্রেতা তেমন নাই বললেই চলে। তাও সবজির দাম অনেক কম আছে। শাক-সবজির সরবরাহ ঠিক আছে তবে ক্রেতা কম। ঢেঁড়স, পটল একদম কম দামে বিক্রি হচ্ছে।’
আলমপূর পৌর বাজারে মাছ বিক্রেতা বিজয় হাওলাদার বলেন, ‘মাছের বাজারে ক্রেতা নাই। অনেক মাছের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতা কমে গেছে। এজন্য বাজারে কেউ মাছও আনছে না। আবার দামও বেশী। তবে পাইকারী বাজারের সঙ্গে খুচরা বাজারের দামের পার্থক্য অনেক কম।
বাজারে আসা ক্রেতা আব্দুর রহমান বলেন, ‘সবজির দাম কম আছে কিছুটা। কিন্তু দেশী সব ধরনের মাছ এখন উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে। মাছ ছাড়া সবজি রান্না করা যায় না। এজন্য মাছের দাম বৃদ্ধি পেলেও টুকটাক অল্পস্বল্প করে মাছ কিনতে হয়।’
অন্য একজন ক্রেতা রুমি আক্তার বলেন, ‘বাজারে একটা অস্থিরতা থাকেই। সবজির দাম কমলে মাছের দাম বাড়বে। আবার মাছের দাম কমলে মাংসের দাম বাড়বে। এ সপ্তাহে টানা বৃষ্টিতে মাছের দাম কমার সম্ভাবনা থাকলেও দাম কিন্তু কমেনি।
Leave a Reply