
মাহিদুল ইসলাম আউলিয়া,,রংপুর প্রতিনিধি:
এবার রংপুরের মিঠাপুকুরে আসন্ন ঈদুল আযহাতে কোরবানির পশু চাহিদার তুলনায় উদ্বৃত্ত আছে ২৩৭১৫ টি পশু । প্রাণীসম্পদ অফিসের তথ্যমতে উপজেলার ১৭ টি ইউনিয়নে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে পালিত কোরবানির পশুর সংখ্যা মোট ৮৭৪৩২ টি। এর মধ্যে ষাঁড় আছে ১৮ ৯৯০টি,বলদ আছে ৫২৮৫ টি, গাভী আছে ৬৫৮৩টি, ছাগল আছে ৫৩৩৪২টি ও ভেড়া আছে ৩২৩২ টি।
অত্র উপজেলায় আসন্ন কোরবানি উপলক্ষে মোট পশুর চাহিদা রয়েছে ৬৩৭১৭ টি। উদ্বৃত্ত আছে এখানে আরও ২৩৭১৫টি পশু। উপজেলার সরকারী ভাবে ঘোষণা দেওয়া ৭ টি হাট-বাজার ছাড়াও এসব কোরবানির পশু অনেক মৌসুমী হাট-বাজারগুলোতেও বিক্রি হবে বলে জানান উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণীসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ শাকিল আহমেদ। এসব পশুর নির্ধারিত বিক্রয়ের স্থান গুলো ধরা হয়েছে,শঠিবাড়ীর হাট,শুকুরের হাট,পদাগঞ্জ হাট,বালার হাট,জায়গীর হাট,বৈরাতি,ছড়ান হাট বাজার,রাণিপুকুরের হাট সহ একাধিক হাট বাজারে। স্থানীয়দের চাহিদা মিটিয়ে এসব উদ্বৃত্ত পশু বিক্রি হবে,পীরগঞ্জ উপজেলার ভেন্ডা বাড়ীর হাট,খালাশপীর হাট,বড় দরগাহের হাট,কাদিরাবাদ হাট,পীরের হাট,ধাপের হাট, মাদারগঞ্জ হাট ও চতরার হাটে। এছাড়া রংপুর সদরের লাল বাগের হাট,তারাগঞ্জ,বদরগঞ্জ ছাড়াও আর বিক্রি হবে দিনাজপুর জেলার আফতাবগঞ্জের হাট,নবাবগঞ্জ,বিরামপুর,দাউদপুর,রাণীগঞ্জ,ঘোড়াঘাট,আমবাড়ী হাট,ফুলবাড়ী ও পার্বতীপুরে। স্থানীয় গরু ব্যাবসায়ী রুজু মিয়া ও নুরুল হক বলেন,আমাদের এখানকার প্রাকৃতিক উপায়ে পালিত কোরবানির পশু গুলোর চাহিদা সব খানেই ব্যাপক। এসব পশু নিয়ে যে হাটেই যাবেন সেখানেই ব্যাবসা করে আরাম পাবেন। সলিড পশুর প্রতি ক্রেতার চাহিদা সর্বোচ্চ বেশী থাকে। তাই লস নেই।
সবুজ মন্ডল, শামীম মিয়া ও কালাম মিয়া সহ একাধিক মাঝারী খামারীরা জানান, গো-খাদ্যের দাম বাড়তি হলেও এবার কোরবানির পশু বিক্রয়ের ক্ষেত্রে তেমন একটা খারাপ প্রভাব পড়বেনা। এবার প্রথম থেকেই যেভাবে পশু ব্যাবসায়ীরা খামার বা বাড়ি বাড়ি এসে দাম হাঁক করছেন,তাতে করে বাজার অন্যে বারের চেয়ে বেশ উঠতির দিকে মনে হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণীসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ শাকিল আহমেদ বলেন আরো বলেন, প্রতিটি হাটে হাটে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম থাকবে সুস্থ গরু বিক্রয়ে তারা সার্বক্ষণিক কাজ করবে। এ ছাড়াও আমাদের টিম কৃষকের বাড়ি বাড়ি উঠান বৈঠক করে মোটাতাজাকরনের স্টেরয়েড ব্যবহারের কুফল,পশু পালন, লাম্পি স্কিন ডিজিজ নিয়ে আলোচনা করে যাচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: পারভেজ মহোদয়ের সাথে কথা হয়েছে, তিনি জানিয়েছেন কুরবানির গরু নির্বিঘ্নে বিক্রি করার ক্ষেত্রে যাবতীয় সহোযোগিতা করা হবে।