
জাহাঙ্গীর আলম,মির্জাপুর প্রতিনিধিঃ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জামু্র্কী ইউনিয়নের আগধল্লা গ্রামের মেয়ে থেকে ছেলেতে রূপান্তরিত হওয়ার ঘটনা ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারও তাকে ছেলে হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। আর এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে এক নজর দেখতে বাড়িতে ভিড় করছে উৎসুক মানুষ।
পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, সৌদি আরব প্রবাসী বাদশা খলিফার ১৩ বছর বয়সি বড় সন্তান নূরমী আক্তার। সে উপজেলার গুনটিয়া মহিলা মাদরাসার মাওলানা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল।
গত রমজান মাস থেকেই নূরমী তার শরীরে বিভিন্ন শারীরিক পরিবর্তন অনুভব করে। বিষয়টি পরিবারকে জানালেও প্রথম দিকে তারা তেমন গুরুত্ব দেননি। পরে গেল বুধবার নানির নজরে বিষয়টি এলে পরিবারের সদস্যরা শারীরিক পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত হন। এরপর পরিবার তাকে ছেলে হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে নাম রাখেন নূরনবী। চুল কেটে ছেলেদের মতো সাজানো হয় তাকে, কিনে দেওয়া হয় ছেলেদের পোশাক।
ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নূরনবীকে দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে দেখতে আসছেন মানুষ। স্থানীয়রা বলছেন, সামাজিক মাধ্যমে এমন ঘটনা শুনছেন কিন্তু বাস্তবে দেখিনি তাই বাস্তবে দেখার জন্য ছুটে আসছেন মানুষ
নূরমীর চাচা সোলাইমান খলিফা জানান, তাদের পরপর তিন মেয়েসন্তান জন্ম হয়েছে। তাই নূরনমীর ছেলে হিসেবে রূপান্তরের ঘটনাকে তারা আনন্দের সঙ্গেই গ্রহণ করেছেন।
এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরিদুল ইসলাম বলেন, জন্মগত হরমোন ও ক্রোমোজমগত পরিবর্তনের কারণেও এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
এদিকে নূরমী থেকে নূরনবী পরিচয়ের এই পরিবর্তন এখন আলোচনার বিষয়। ঘটনাটি ঘিরে যেমন বিস্ময়, তেমনি কৌতূহলও কম নয় মানুষের মাঝে।