1. news@dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  2. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ডিএনসির অভিযানে গাঁজাসহ যুবক আটক ভাঙ্গুড়ায় পূজা উদযাপন পরিষদ উপজেলা শাখা,পৌর শাখা ও হিন্দু,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত  শিবচরে রাতের আঁধারে কুপিয়ে একজনকে জখম,হাসপাতালে ভর্তি বগুড়ায় টাস্কফোর্সের অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার-২ ঢাকায় আসছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে লালমনিরহাট জেলা পুলিশ লাইন্সে ঈদ আনন্দ উৎসব ও এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত  কঠোর পুলিশি নিরাপত্তায় আদালতে হাজির সাবেক নৌ-মন্ত্রী শাজাহান খানের ছেলে আসিবুর রহমান খান,জামিন নামঞ্জুর রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি বাংলাদেশের নিরাপত্তায় বড় চ্যালেঞ্জ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লন্ডনের বার্কিং ও ডেগেনহামে নির্বাচিত কাউন্সিলর মাদারীপুরের রিপন শেখকে সংবর্ধনা প্রদান মিঠাপুকুরে বিষাক্ত মদপানে ৩ ব্যাক্তির মৃত্যু,অসুস্থ-১ পানামার জালে আধডজন গোলে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু করল ব্রাজিল চুক্তিতে লেবানন যুদ্ধবিরতির বাস্তবায়ন থাকতে হবে: ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কারণ জানালেন তথ্যমন্ত্রী তামাকের প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী সরাইলে মাদক কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ,নিহত-১ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বীরগঞ্জে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তার জলাবদ্ধতা নিরসন বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা : রাষ্ট্রপতি নীরবে-নিভৃতে মাদারীপুরের বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদুল্লাহ রাজার মহাপ্রয়াণ শৈলকুপায় চলন্ত ভ্যানের চাপায় ৩ বছরের শিশু মীমের মর্মান্তিক মৃত্যু

নিখোঁজের ২০ দিন পর কেরানীগঞ্জে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

ঢাকার কেরানীগঞ্জে নিখোঁজের প্রায় ২০ দিন পর এক কিশোরী ও তার মায়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন কালিন্দী ইউনিয়নের মুক্তিরবাগ (মুসলিমবাগ) এলাকার একটি পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন রোকেয়া রহমান (৩২) ও তাঁর মেয়ে জোবাইদা রহমান ফাতেমা (১৪)। ফাতেমা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। রোকেয়ার স্বামী মো. শাহীন আহম্মেদ পেশায় একজন আইনজীবীর মুহুরি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ ডিসেম্বর বিকেলে ফাতেমা মুক্তিরবাগ এলাকার শামীম মিয়ার মালিকানাধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রাইভেট পড়তে যায়। ওই ফ্ল্যাটে তার গৃহশিক্ষিকা মীম ভাড়া থাকতেন। প্রাইভেট শেষে সন্ধ্যার দিকে ফাতেমার বাসায় ফেরার কথা থাকলেও সে আর ফিরে আসেনি। একই সময় তার মা রোকেয়া রহমানও নিজ বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান না পেয়ে ২৬ ডিসেম্বর রোকেয়ার স্বামী শাহীন কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে  ওই ভাড়া বাসা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে থাকে। প্রথমে এলাকাবাসী ময়লার দুর্গন্ধ মনে করলেও সময়ের সঙ্গে গন্ধ আরও প্রকট হয়। পরে গন্ধের উৎস অনুসন্ধান করে তারা নিশ্চিত হন যে গন্ধটি গৃহশিক্ষিকা মীমের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকেই আসছে।
এ সময় ফ্ল্যাটের দরজা খুলতে বলা হলে ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় একটি বক্স খাটের নিচ থেকে রোকেয়া রহমানের অর্ধগলিত মরদেহ এবং বাথরুমের ফলস ছাদের ওপর থেকে তার কিশোরী মেয়ে ফাতেমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং আলামত সংগ্রহ করে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম  বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন নিহত ফাতেমার গৃহশিক্ষিকা মীম, তাঁর স্বামী হুমায়ন, মীমের বড় বোন নুরজাহান এবং ফাতেমার বান্ধবী মাহী।
ওসি আরও বলেন, “ঘটনার প্রকৃত কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”নিহত রোকেয়ার ভাই জাহিদ বলেন, “আমাদের শুরু থেকেই গৃহশিক্ষিকার বিষয়ে সন্দেহ ছিল। বিষয়টি পুলিশকে একাধিকবার জানানো হয়েছিল।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “আমার ভাগ্নী ও বোনের গলায় স্বর্ণের চেইন ছিল। স্বর্ণালঙ্কারের লোভেই এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে আমাদের সন্দেহ।”পুলিশ জানিয়েছে, স্বজনদের অভিযোগ ও বক্তব্য তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২৬,আমাদের প্রকাশিত সংবাদ,কলাম,তথ্য,ছবি,কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট