1. : lf_qJ9tbNbwyV2F :
  2. live@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  3. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন নদী’গর্ভে স্থাপনা-ফসলী জমি,বাস্তু হারা হয়েছে দু’শতাধীক পরিবার মেসির দুর্দান্ত গোল,তবু জিততে পারল না মিয়ামি সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের সাত সদস্যসহ নিহত-৯ গোপালগঞ্জ কাশিয়ানিতে রেলস্টেশন থেকে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নান্দাইলে উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ৫% কমিশন দাবির অভিযোগ,তদন্তের নির্দেশ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী জনপ্রিয়তার শীর্ষে তারুণ্যের অহংকার,জন মানুষের বন্ধু আসন্ন ৫ নং বালারহাট ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আবুল হাসনাত রতন বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে চিহ্নিত জুয়ারি মতিন ও মনজুরুলের জরিমানাসহ কারাদন্ড জনপ্রিয়তার শীর্ষে তারুণ্যের অহংকার,জন মানুষের বন্ধু আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব‍্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ তানজিমুল ইসলাম তুষার সমালোচনার পর হাফেজদের দেওয়া”নেক্সাস”বই ফেরত নিল ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের সময় ফ্ল্যাটেই ছিলেন তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী যুবলীগের নৈরাজ্য ও আগুণসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মুকসুদপুরে বিক্ষোভ মিছিল বদলগাছীতে একাধিক নির্দেশনার পরও কমিটি হয়নি মিঠাপুর ইয়াকুবিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে গ্রামীন হেল্থটেক লিমিটেড নিয়ে এলো ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবার নতুন এক প্লাটফর্ম রাজধানীতে ভোর থেকে মুষলধারে বৃষ্টি ককটেল বিস্ফোরণে রিকশাচালক আহত,রাজধানীতে চার বাসে আগুন ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের এই লংমার্চ-রংপুরে ডাঃ শফিকুর রহমান টুঙ্গিপাড়ায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা, সহায়তার আশ্বাস এম পি জিলানীর সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে কাজীপুরের অর্থনীতি পাল্টে দেবে এই মৎস্য বাজার

উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন নদী’গর্ভে স্থাপনা-ফসলী জমি,বাস্তু হারা হয়েছে দু’শতাধীক পরিবার

উলিপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে বাস্তুহারা হয়ে পরেছে অনেক পরিবার। বর্তমানে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,একটি মসজিদ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ (ব্যারিবাঁধ) হুমকির মুখে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী বসুনিয়াপাড়া প্রায় দু’শতাধীক বাড়ী-ঘর। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম তিস্তার আগ্রাসনে বাস্তুহারা হয়েছে ওই এলাকার অন্তত ২ শতাধীক মানুষ। ঝুঁকিতে রয়েছে আরও কয়েক শত পরিবার। এছাড়া,দলদলিয়া ইউনিয়নের কর্পূরা মৌজার ঐতিহ্যবাহী বসুনিয়াপাড়ার শতাধীক বাড়ী-ঘর নদীর তীব্র ভাঙনে সরিয়ে নিচ্ছেন বাসিন্দারা। হুমকির মুখে পরেছে কয়েকটি স্থাপনা, ফসলি জমি। নদী গর্ভে বিলীনের অপেক্ষায় কর্পূরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বসুনিয়া পাড়া জামে মসজিদ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ।পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) গত বর্ষা মৌসুমের আগে কর্পূরা বসুনিয়াপাড়া রক্ষায় কিছু জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা খরস্রোতে নদীর গর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে। সোমবার ভাঙ্গন কবলিত বসুনিয়াপাড়া গ্রামে তিস্তার তীরে ভাঙ্গনের ভয়াবহ দৃশ্য দেখা গেছে। গত ৭২ ঘন্টার ব্যবধানে ভয়াবহ ভাঙ্গনের তান্ডবে প্রায় শতাধীক পরিবারের বসতভিটা, গাছপালা, আবাদি জমি, কবরস্থান গিলে খেলেছে তিস্তা নদী। আরো অনেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন তাদের বাড়ি-ঘর।

তিস্তার ভাঙনে ছয়বার ভিটে সরিয়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দা আব্দুল বাতেন ও আশরাফুল আলী। সর্বশেষ এক সপ্তাহ আগে তারা ভিটে সরিয়ে অন্যত্র নিয়েছেন। রেজোয়ান ও সিকেদ্দার বসুনিয়া বলেন, ‘ছয়বার বাড়ি সরাই, বুকের ভিতরাটা ভাঙি যায়। এতোবার ভিটা ভাঙে, তাও কাইয়ো শোনে না-দেখে না,বা। আমরা খুব অসহায়।’ কান্নাজড়িত কণ্ঠে একই কথা বললেন, ঐ এলাকার পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী আঃ মান্নান। তিস্তার ভাঙনে সর্বহারা হয়ে এখন ফকির হতে হয়েছে অনেক কে। বাড়ি-ঘর সরাতে সরাতে হাফসি গেছে আবু বক্কর ,এরশাদুল, আব্দুল মালেক, আঃ সামাদ, মজিবর, সেকেন্দার, জামাতাল্লী, আশরাফুল, ফারুকসহ ভুক্তভোগীরা। জানাগেছে, তিস্তা নদীর ভাঙনে দলদলিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড (কর্পূরা) পুরোটাই এবং ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেশির ভাগ অংশ ইউনিয়নের মানোচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে। ছয় মাসে অন্তত সহস্রাধিক পরিবার বাস্তুহারা হয়েছে। আবাদি জমি বিলীন হয়েছে অন্তত ৬’শ একর।
ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র কামরুজ্জামান রানা সুন্সি বলেন, ‘গত ছয় মাসে তিস্তার ভাঙনে অন্তত ৪’শ পরিবার বাস্তুহারা হয়েছে। বর্তমানে নদীর ভাঙনে মানুষ দিশেহারা হয়ে গেছে। ভাঙন ঠেকাতে না পারলে অদূর ভবিষ্যতে এ মৌজাটি ইউনিয়নের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। বর্তমানে বসুনিয়া পাড়ায় যে ভাবে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে, দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা না নিলে দু-চার দিনের মধ্যে গ্রামটির যৎ সামান্য অংশ টুকুও বিলীন হয়ে যাবে। এলাকাবাসী জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমের আগে পাউবো’র উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষ ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করে গেলেও এখনো কোন প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহন করেননি বলে তারা হতাশ হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলামের সাথে ভাঙ্গন রোধের বিষয়ে জানার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন ভাঙ্গন রোদে কাজ শুরু হয়েছে চাহিদা পাঠিয়েছি এখনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট