1. : lf_zzvaAwj1me3v :
  2. live@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  3. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিক ও মালিক গ্রেফতারে লাগবে আদালতের অনুমতি এমবাপ্পেকে ছাড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ইয়ামালের নতুন রেকর্ড সরাইলে ৩ প্রতিবন্ধী শিশু পেল হুইলচেয়ার,৬ হতদরিদ্র পরিবার পেল গাভী বিজিবি বিশেষ অভিযানে সীমান্ত থেকে ৭টি ভারতীয় গরু আটক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ না করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘাটাইলে বাস থেকে ৩০ কেজি গাঁজাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার দক্ষিণ আইচা বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা তারেক রহমানের স্লোগানকে হাদিস বলে পদ হারালেন সরকারি কর্মকর্তা মার্কিন সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের জয়,নিশ্চিত ৫১ আসন সব সম্পত্তি লিখে নেওয়ার পর ৯৫ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে গাছতলায় ফেলে রাখার অভিযোগ সন্তানদের বিরুদ্ধে গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে আহত তৌফিক মারা গেছেন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া মোড়ে চতুর্মুখী সংঘর্ষে ভ্যানচালক নিহত কপ ৩১ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজা ও নগদ টাকাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক আদিতমারীতে ৮ ইউনিয়নে‘আলোকিত লালমনিরহাট’এর প্রধান সমন্বয়কারী দায়িত্ব পেলেন যারা গোপালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামানের শপথ মঙ্গলবার ইরানে পারমাণবিক হ মলার জন্য ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন নেতানিয়াহু: কার্লসন টাঙ্গাইলে বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ দম্পতি গ্রেফতার লালমনিরহাটে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম মাদারীপুরের শিবচরে জামায়াত নেতার বসতঘর ভাংচুর করলো বিক্ষুব্ধ জনতা,নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন,গেজেট প্রকাশ শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় খতিব মুফতি মুজিদুল ইসলামকে অব্যাহতির অভিযোগ

উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন নদী’গর্ভে স্থাপনা-ফসলী জমি,বাস্তু হারা হয়েছে দু’শতাধীক পরিবার

উলিপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে বাস্তুহারা হয়ে পরেছে অনেক পরিবার। বর্তমানে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,একটি মসজিদ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ (ব্যারিবাঁধ) হুমকির মুখে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী বসুনিয়াপাড়া প্রায় দু’শতাধীক বাড়ী-ঘর। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম তিস্তার আগ্রাসনে বাস্তুহারা হয়েছে ওই এলাকার অন্তত ২ শতাধীক মানুষ। ঝুঁকিতে রয়েছে আরও কয়েক শত পরিবার। এছাড়া,দলদলিয়া ইউনিয়নের কর্পূরা মৌজার ঐতিহ্যবাহী বসুনিয়াপাড়ার শতাধীক বাড়ী-ঘর নদীর তীব্র ভাঙনে সরিয়ে নিচ্ছেন বাসিন্দারা। হুমকির মুখে পরেছে কয়েকটি স্থাপনা, ফসলি জমি। নদী গর্ভে বিলীনের অপেক্ষায় কর্পূরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বসুনিয়া পাড়া জামে মসজিদ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ।পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) গত বর্ষা মৌসুমের আগে কর্পূরা বসুনিয়াপাড়া রক্ষায় কিছু জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা খরস্রোতে নদীর গর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে। সোমবার ভাঙ্গন কবলিত বসুনিয়াপাড়া গ্রামে তিস্তার তীরে ভাঙ্গনের ভয়াবহ দৃশ্য দেখা গেছে। গত ৭২ ঘন্টার ব্যবধানে ভয়াবহ ভাঙ্গনের তান্ডবে প্রায় শতাধীক পরিবারের বসতভিটা, গাছপালা, আবাদি জমি, কবরস্থান গিলে খেলেছে তিস্তা নদী। আরো অনেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন তাদের বাড়ি-ঘর।

তিস্তার ভাঙনে ছয়বার ভিটে সরিয়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দা আব্দুল বাতেন ও আশরাফুল আলী। সর্বশেষ এক সপ্তাহ আগে তারা ভিটে সরিয়ে অন্যত্র নিয়েছেন। রেজোয়ান ও সিকেদ্দার বসুনিয়া বলেন, ‘ছয়বার বাড়ি সরাই, বুকের ভিতরাটা ভাঙি যায়। এতোবার ভিটা ভাঙে, তাও কাইয়ো শোনে না-দেখে না,বা। আমরা খুব অসহায়।’ কান্নাজড়িত কণ্ঠে একই কথা বললেন, ঐ এলাকার পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী আঃ মান্নান। তিস্তার ভাঙনে সর্বহারা হয়ে এখন ফকির হতে হয়েছে অনেক কে। বাড়ি-ঘর সরাতে সরাতে হাফসি গেছে আবু বক্কর ,এরশাদুল, আব্দুল মালেক, আঃ সামাদ, মজিবর, সেকেন্দার, জামাতাল্লী, আশরাফুল, ফারুকসহ ভুক্তভোগীরা। জানাগেছে, তিস্তা নদীর ভাঙনে দলদলিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড (কর্পূরা) পুরোটাই এবং ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেশির ভাগ অংশ ইউনিয়নের মানোচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে। ছয় মাসে অন্তত সহস্রাধিক পরিবার বাস্তুহারা হয়েছে। আবাদি জমি বিলীন হয়েছে অন্তত ৬’শ একর।
ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র কামরুজ্জামান রানা সুন্সি বলেন, ‘গত ছয় মাসে তিস্তার ভাঙনে অন্তত ৪’শ পরিবার বাস্তুহারা হয়েছে। বর্তমানে নদীর ভাঙনে মানুষ দিশেহারা হয়ে গেছে। ভাঙন ঠেকাতে না পারলে অদূর ভবিষ্যতে এ মৌজাটি ইউনিয়নের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। বর্তমানে বসুনিয়া পাড়ায় যে ভাবে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে, দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা না নিলে দু-চার দিনের মধ্যে গ্রামটির যৎ সামান্য অংশ টুকুও বিলীন হয়ে যাবে। এলাকাবাসী জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমের আগে পাউবো’র উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষ ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করে গেলেও এখনো কোন প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহন করেননি বলে তারা হতাশ হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলামের সাথে ভাঙ্গন রোধের বিষয়ে জানার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন ভাঙ্গন রোদে কাজ শুরু হয়েছে চাহিদা পাঠিয়েছি এখনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট