
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য ভারমন্টে স্থানীয় সময় সকাল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায়) ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে অঙ্গরাজ্যটির অন্তত ৩০ শতাংশ ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। খুব দ্রুতই নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি, ভার্জিনিয়া ও মেইনসহ পূর্ব উপকূলের অন্যান্য অঙ্গরাজ্যে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের মধ্যবর্তী সময়ে ৩ নভেম্বর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে দেশটির আইনসভা ‘কংগ্রেস’-এর নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সব কটিতেই ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি উচ্চকক্ষ সেনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টি আসনে ভোট হচ্ছে, যার মধ্যে ৩৩টি নিয়মিত এবং ফ্লোরিডা ও ওহাইওতে দুটি বিশেষ নির্বাচন।
উচ্চকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ৫১টি আসনের প্রয়োজন হয়। ভোট সমান হলে ভাইস প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে রিপাবলিকানরা এগিয়ে যাবে।
এই মধ্যবর্তী নির্বাচনের মূল উদ্দেশ্য হলো কংগ্রেসে নতুন প্রতিনিধিত্ব নির্ধারণ করা। কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তার ওপর নির্ভর করে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ও প্রভাব। এ কারণে এ নির্বাচনকে প্রেসিডেন্টের কাজের মূল্যায়ন হিসেবে দেখা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৪৬ সালের পর থেকে প্রায় প্রতিটি মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল প্রতিনিধি পরিষদে গড়ে সাড়ে ২৬টি আসন হারিয়েছে। তবে এবার কেবল প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তাই নয়; বরং অর্থনীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, অভিবাসননীতি ও স্বাস্থ্যসেবার মতো বিষয়গুলো ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।