1. : lf_zzvaAwj1me3v :
  2. live@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  3. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টাঙ্গাইলে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলার ১২ ঘণ্টার মাথায় আসামি গ্রেফতার রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সিনেমা ও বিজ্ঞাপনের কাজ হারিয়েছেন প্রকাশ রাজ: স্ত্রী আবাসন সংকটে উত্তাল পর্তুগাল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সাতসকালে ঢাকার বাতাস ‍‍`অস্বাস্থ্যকর‍‍` জনপ্রিয়তার শীর্ষে তারুণ্যের অহংকার,আসন্ন ১৭নং ইমাদপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুস ছালাম মেম্বার জামায়াত থেকে বের হয়ে আসার সিদ্ধান্তের জন্য এনসিপিকে সাধুবাদ’ রাশেদ খান সঞ্জয় গুপ্তের আকস্মিক মৃত্যু তেহরানে হামলায় স্ত্রীসহ পরিবারের ১২ সদস্যকে হারালেন হামেদ গোপালগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাকচালক নিহত এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ ইসরায়েলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের প্রস্তাব মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল ফি নির্ধারণ ৮ হাজার টাকা মিঠাপুকুরে খালিদ হাসান হত্যা মামলার আসামি আবু সাঈদ,এস আর বি’র সহায়তায় গ্রেফতার অনলাইনে সহিংসতার শিকার ৪৫.৫ শতাংশ নারী, প্রতিকার পান না ৫৬ শতাংশ গোপালগঞ্জে বিনা ধান-২৬ চাষে ব্যাপক ফলনের সাফল্য সাথিঁয়া বাসীর জনপ্রিয় ব্যক্তি,সাথিঁয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনিছুর রহমান টাঙ্গাইলে মহাসড়কের পাশ থেকে নারীর খণ্ডিত ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার হ্যালোইনে সহিংসতার আশঙ্কা, ফ্রান্সে ৭০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি টেকনাফ মডেল থানা ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্র,হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ি ও শাহপরীর দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ি পরিদর্শন গোপালগঞ্জে সাবমারসিবল পাম্পের পানির সঙ্গে বের হচ্ছে গ্যাস,আগুন জ্বালিয়ে চাঞ্চল্য দক্ষিণ আইচায় হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশন প্রতিযোগিতায় ২৮টির মধ্যে ২৪টি পুরস্কার অর্জন করেছে চর কচ্ছপিয়ার দারুসুন্নাহ হাসনাইনীয়া মাদরাসা ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপ-নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মির্জা ফয়সাল আমিন জয়ী উখিয়ার ইনানী সৈকতে গোসলে নেমে মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু, দুই ঘণ্টা পর উদ্ধার মরদেহ টাঙ্গাইলে ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ৬ ঘণ্টার পর ঢাকার সাথে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

তেহরানে হামলায় স্ত্রীসহ পরিবারের ১২ সদস্যকে হারালেন হামেদ

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইরানের রাজধানী তেহরানে আবাসিক ভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় পরিবারের ১২ সদস্যকে হারিয়েছেন হামেদ মির্জাই। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন তার ২৬ বছর বয়সী স্ত্রী মোহাদ্দেসেহ। বিয়ের এক বছরও পূর্ণ হয়নি তাদের। নতুন সংসারে সন্তান নেওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন এই তরুণ দম্পতি। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্রের এক আঘাতেই মুহূর্তের মধ্যে শেষ হয়ে যায় তাদের সাজানো সংসার।

আলজাজিরায় প্রকাশিত নিজের অভিজ্ঞতাভিত্তিক এক লেখায় হামেদ জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ৯ মার্চ তাদের বাড়িতে হামলার পর থেকে তার জীবন সম্পূর্ণ বদলে গেছে।

তিনি লেখেন, ‘বোমা হামলার পর সাত মাস পেরিয়ে গেছে। এখনো অনেক দিন বাস্তবে ফিরে এসে দেখি, আমি যেন সেই ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়িতেই ফিরে গেছি। সেখানে প্রিয়জনদের খুঁজে বেড়াচ্ছি।’

হামেদ জানান, তার দাদা ও বাবার চাচা মিলে বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন। পরে তারা নিজেদের সন্তানদের মধ্যে ভবনের অ্যাপার্টমেন্টগুলো ভাগ করে দেন। বিয়ের এক বছর আগে নয়, এক বছর আগে বিয়ে করে স্ত্রীকে নিয়ে ওই ভবনের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস শুরু করেন তিনি।

তাদের সংসারে তখন নতুন অতিথি আনার প্রস্তুতি চলছিল। হামেদের ভাষায়, ‘আমরা তখন কেবল সন্তান নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করছিলাম। আমরা দুজনই তরুণ ছিলাম, সামনে পড়ে ছিল পুরো জীবন। তারপরই বোমা হামলা হলো।’

হামলার দিন যা ঘটেছিল

হামেদ জানান, ৯ মার্চ ছিল সোমবার। দুপুর ১টার দিকে কাজের খোঁজখবর নিতে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। দুপুর আড়াইটার দিকে স্ত্রী তাকে বার্তা পাঠিয়ে ফেরার পথে মাথাব্যথার ওষুধ কিনে আনতে বলেন।

কোন ওষুধ প্রয়োজন, তা জানতে স্ত্রীকে ফোন করেন হামেদ। কিন্তু ফোনে তাকে পাননি। ওই সময় তাদের বাড়িতে অতিথি আসার কথা ছিল। তাই অতিথির সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু সেই ফোনটিও ব্যস্ত পান।

পরে স্ত্রীকে আবার ফোন করবেন ভেবে হাঁটতে থাকেন হামেদ।

তিনি বলেন, ‘আমি তখন বাড়ি থেকে মাত্র পাঁচ মিনিটের দূরত্বে ছিলাম। হঠাৎ একটি শিস দেওয়ার মতো শব্দ শুনতে পেলাম। ঠিক তখনই প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানে।’

বিস্ফোরণের প্রচণ্ড শব্দ ও শক্তিতে তার পায়ের নিচের মাটি কেঁপে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে হাতে থাকা ফোন দিয়ে স্ত্রীকে আবার কল করেন তিনি। কিন্তু এবার ফোনে আর সংযোগ পাওয়া যায়নি।

এরপর পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন হামেদ। একে একে দাদা, বাবা ও মাকে ফোন করেন। কিন্তু কারও সঙ্গেই যোগাযোগ করতে পারেননি।

ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে রইল পুরো পরিবার

প্রিয়জনদের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে হামেদ বুঝতে পারেন, ভয়াবহ কিছু ঘটে গেছে। যে বাড়িতে কেটেছে তার শৈশব, যেখানে বসবাস করতেন পরিবারের সদস্যরা এবং যে ভবনে স্ত্রীকে নিয়ে নতুন জীবনের স্বপ্ন বুনেছিলেন, সেই বাড়িটিই পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে।

স্ত্রীকে নিয়ে ভবিষ্যৎ সাজানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু একটি হামলায় পরিবারের ১২ সদস্যকে হারিয়ে এখন একাই বেঁচে আছেন সেই স্মৃতি নিয়ে।

হামেদের অভিজ্ঞতায় উঠে এসেছে, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কেবল ধ্বংস হওয়া ভবন কিংবা প্রাণহানির পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর সঙ্গে হারিয়ে যায় মানুষের পরিবার, ভালোবাসা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং বেঁচে থাকার স্বপ্ন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট