1. : lf_zzvaAwj1me3v :
  2. live@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  3. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানের স্লোগানকে হাদিস বলে পদ হারালেন সরকারি কর্মকর্তা মার্কিন সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের জয়,নিশ্চিত ৫১ আসন সব সম্পত্তি লিখে নেওয়ার পর ৯৫ বছরের বৃদ্ধ বাবাকে গাছতলায় ফেলে রাখার অভিযোগ সন্তানদের বিরুদ্ধে গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে আহত তৌফিক মারা গেছেন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া মোড়ে চতুর্মুখী সংঘর্ষে ভ্যানচালক নিহত কপ ৩১ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজা ও নগদ টাকাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক আদিতমারীতে ৮ ইউনিয়নে‘আলোকিত লালমনিরহাট’এর প্রধান সমন্বয়কারী দায়িত্ব পেলেন যারা গোপালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা মির্জা ফয়সল আমীন ও এলিজা জামানের শপথ মঙ্গলবার ইরানে পারমাণবিক হ মলার জন্য ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন নেতানিয়াহু: কার্লসন টাঙ্গাইলে বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ দম্পতি গ্রেফতার লালমনিরহাটে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেটে নতুন নিয়ম মাদারীপুরের শিবচরে জামায়াত নেতার বসতঘর ভাংচুর করলো বিক্ষুব্ধ জনতা,নারী কেলেঙ্কারীর অভিযোগ গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন,গেজেট প্রকাশ শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় খতিব মুফতি মুজিদুল ইসলামকে অব্যাহতির অভিযোগ চরফ্যাশনে বিশ্ব উরস শরীফ উপলক্ষে আজিমুশান ইসলামী জলসা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট জেলা পুলিশের কীট প্যারেড অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলার ১২ ঘণ্টার মাথায় আসামি গ্রেফতার রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে সিনেমা ও বিজ্ঞাপনের কাজ হারিয়েছেন প্রকাশ রাজ: স্ত্রী আবাসন সংকটে উত্তাল পর্তুগাল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সাতসকালে ঢাকার বাতাস ‍‍`অস্বাস্থ্যকর‍‍`

৫ আগস্ট স্বাধীনতাপ্রিয় মানুষের বিজয়ের দিন,প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৫ অগাস্ট, ২০২৬
  • ২৫২ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

স্বাধীনতাপ্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য ৫ আগস্ট বিজয়ের দিন এবং গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের বীর ছাত্র-জনতা একটি ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে। গণঅভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয় এবং ‘রাহুমুক্ত’ হয় বাংলাদেশ। বীর ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত এই দিনটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে জাতীয়ভাবে উদযাপন করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদের পতন এবং দেশে জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে বিএনপিসহ ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দল এবং ভিন্নমতের মানুষ সীমাহীন নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। অসংখ্য মানুষ গুম, খুন, অপহরণ, হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকেও মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকামী মানুষের কণ্ঠ স্তব্ধ করতে পলাতক স্বৈরাচারের নির্দেশে দেশে শত শত গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ গড়ে তোলা হয়েছিল। সেখানে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর অগণিত মানুষকে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আটকে রাখা হয়। অনেককে চিরতরে গুম করা হয়েছে। বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলী ও কমিশনার চৌধুরী আলমসহ অনেক নেতাকর্মীর আজও কোনো সন্ধান মেলেনি।

বাণীতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশনসহ দেশের সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে অকার্যকর করে ফেলা হয়েছিল। সংবিধান উপেক্ষা করে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয় এবং নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হয়। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংস করে দেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাট ও টাকা পাচারকে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত করা হয়েছিল এবং দেশে ব্যক্তিতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তা টেকেনি।

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ-বীর ছাত্র-জনতা, কৃষক-শ্রমিক, রিকশাচালক, মুটে-মজুর, পোশাকশ্রমিক, হোটেল-রেস্তোরাঁকর্মী, পরিবহন শ্রমিক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিকর্মী, গৃহবধূ, নারী ও শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলেন।

আন্দোলন দমনে তৎকালীন সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভ্যুত্থান দমনে মরিয়া ফ্যাসিস্ট সরকার রাজপথে গণতন্ত্রকামী জনগণের বুকে গুলি চালিয়ে পাখির মতো মানুষ হত্যা করেছে। এমনকি জনগণের ওপর হেলিকপ্টার থেকেও গুলি চালানো হয়েছিল। স্বৈরাচারের বেপরোয়া গুলি থেকে মায়ের কোলে থাকা শিশুও রেহাই পায়নি।

বাণীতে শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, স্বৈরাচারের বন্দুকের সামনে রংপুরের শহীদ আবু সাঈদ, চট্টগ্রামের শহীদ ওয়াসিম আকরাম এবং ঢাকার শহীদ মুগ্ধসহ অসংখ্য সাহসী সন্তান গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রেরণায় পরিণত হয়েছিলেন। শুধু জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানেই হাজারো মানুষ শহীদ হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ। শত শত মানুষ হাত-পা ও শরীরের অঙ্গ হারিয়ে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, অনেকেই আজীবনের জন্য দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন।

করে, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই শহীদদের প্রতি ঋণ পরিশোধের আন্তরিক প্রচেষ্টা বাস্তবায়িত হতে পারে।

জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, হাজারো শহীদের রক্তে স্নাত রাজপথে যে অভূতপূর্ব জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে, তা যে কোনো মূল্যে রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। গণতন্ত্রে ভিন্নমত থাকবে, তবে সেই ভিন্নমত যেন শত্রুতায় রূপ না নেয়, সে বিষয়ে গণতন্ত্রের পক্ষের প্রতিটি রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি ও গোষ্ঠীকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে আর কখনোই স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ, চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদের উত্থান হতে দেওয়া হবে না এবং দেশকে কখনোই তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হতে দেওয়া হবে না। এসব মৌলিক প্রশ্নে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় ঐক্য অটুট থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বাণীর শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সাল ছিল স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ, আর ২০২৪ সাল ছিল দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ। ১৯৭১ সালের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বাংলাদেশ যেমন কখনো ভোলেনি, তেমনি ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদেরও বাংলাদেশ কখনো ভুলবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট