
শরীফ ফায়েজুল কবীর,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পৌরসভার কেরানীবাট গোমস্তা পরিবার শিক্ষা ক্ষেত্রে জেলার মধ্যে অন্যতম একটি শীর্ষস্থানীয় বংশ ও ঐতিহ্যবাহী পরিবার। উক্ত পরিবারে ১১২ জন গ্রাজুয়েট,১০ জন এমবিএস ডাক্তার ও ১০ জন ইঞ্জিনিয়ার রয়েছেন। এছাড়াও রয়েছেন অনেক সরকারী-বেসরকারী চাকুরীজীবী। আবার এই পরিবারের ২০ জন ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারের মধ্যে ১৫ জন বিসিএস উত্তীর্ণ। এছাড়াও একই বংশে রয়েছেন ৩২ জন মাষ্টার্স ডিগ্রিধারী হোডার ও ২ জন পিএইচডি ডিগ্রীধারী। বৃটিশ আমল থেকেই তাদের পরিবারে এর ধারাবাহিকতা চলে আসছে বলে জানা যায়। বুধবার (০১ জুলাই) সকালে গোমস্তা পরিবারের বর্তমান সিনিয়র পারসন ও অবসরপ্রাপ্ত এনসিসি ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম গোমস্তার সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে গেলে তিনি তার পরিবারের উক্ত তথ্যগুলো উপস্থাপন করে জানান- ব্যক্তি, সমাজ,পরিবার ও রাষ্ট্র গঠনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই এবং এক্ষত্রে সন্তানদের জন্য তাদের শৈশব থেকেই অভিভাবকদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হয়,সচেতন হতে হয়। তিনি আরও বলেন- প্রাতিষ্ঠানিক,নৈতিক, কারিগরী ও বিজ্ঞান ভিত্তিক আধুনিক শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। তথ্য প্রদানকালে আব্দুস সালাম গোমস্তা জানান, তাদের পরিবারে ডঃ আবদুর রশিদ গোমস্তা গাজীপুর ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ছিলেন। ডঃ ইসমত আরা মুন্নী জাপান থেকে পিএইচডি করে শিক্ষকতা ও গবেষণার কাজে জাপানে রয়েছেন। ডাঃ কাওসার কামাল গোমস্তা (এমবিবিএস) আমেরিকা থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়েছেন। আরেক ডাক্তার মিজানুর রহমান গোমস্তা (এমবিএস) ডঃ আবদুর রশিদ গোমস্তার বড় ছেলে এবং তিনি কানডায় উচ্চ শিক্ষা নিয়েছেন। আব্দুস সালাম গোমস্তার বড় ছেলে নাহিয়ান রাফাজ গোমস্তা কানাডায় কম্পিউটার সাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চতর শিক্ষা নিয়েছেন। এছাড়াও আবদুস সালাম গোমস্তা নিজেও মাস্টার্স ডিগ্রী ও এলএলবি পাস করে সিনিয়র ব্যাংকার ছিলেন। এসব তথ্য উপস্থাপনকালে আব্দুস সালাম গোমস্তা তাদের পরিবারের সবার জন্য দোয়া কামনা করে অভিভাবকদের সন্তানদের প্রতি অধিক যত্নশীল হবার পাশাপাশি লেখাপড়ার বিষয়ে গভীরভাবে খেয়াল রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন একতাবদ্ধ থাকলে একটি পরিবার,বংশ,সমাজ ও একটি দেশ অনেক ভালো থাকা সম্ভব।
Leave a Reply