
জাহাঙ্গীর আলম,বদলগাছী( নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর, বদলগাছীতে খাস খাজনা আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জানা যায় বাংলা ১৪৩৩ সনে বদলগাছী উপজেলার ৮ টি হাট ইজারা দেওয়া হলেও কোলা,ভান্ডারপুর,বদলগাছী, চাঁনপুর ও পারসোমবাড়ী হাট ইজারা দেওয়া হয়নি। গত ২২/২/২৬, ৪/৩/২৬,,৩০/৩/২৬ ও ৮/৪/২৬ইং তাং পরপর চার বার টেন্ডার আহ্বান করা হয়। চারবার টেন্ডার আহ্বান করেও সরকারনির্ধারিত সর্ব নিম্ন মূল্যে কোন টেন্ডার না পাওয়ায় ৫ টি হাট ইজারা দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে হাট গুলি খাস আদায়ের জন্য তহসিল অফিসকে
দায়িত্ব দেওয়া হয়। কোলা,ভান্ডারপুর হাটসহ অন্যান্ন হাট পরিদর্শন কালে ভূমি অফিসের কোন লোকজনকে দেখা যায় নাই। প্রশাসনের
কথামতে স্হানীয় লোকজনের সহায়তায় তহসিল অফিসের লোকজন আদায় করছেন। কিন্ত সরজমিনে স্হানীয় বি এন পির নেতা কর্মী দের খাস আদায়ে প্রতক্ষ্য ভাবে চখে পড়ে। নেতা
কর্মীরা বলেন আমরা হাট ইজারা নিয়ে খাস আদায় করছি। বদলগাছী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য মোতাবেক দেখা যায়,
১৪ এপ্রিল থেকে ১৫ জুন ২ মাসে ৮ সপ্তাহে ভান্ডারপুর হাট থেকে ৫২০৫৫০/টাকা,কোলা হাট থেকে ১৩২২৫৪০/টাকা,বদলগাছী থেকে৫২৯৫৫০/চাঁনপুর থেকে ১২১৯৮০/ও পার সোমবাড়ী হাাট থেকে ৫৫৪৮০/ টাকা খাস আদায় করে কোষাগারে জমা হয়েছে। কোলা গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে ছামছুল হোসেন বলেন ৪৩কেজীতে মন হিসাবে আমার কাছে পটল নিয়ে ২ মনে ৪০/ খাজনা নেওয়া হয়েছে। আরতদার ফারুক হোসেন বলেন, প্রতিটা কৃষি পন্যের উপড় মনকড়া ২০/ টাকা হাড়ে রাজস্ব
আদায় করা হয়।আরতদারদের ভাষ্য মতে কোলা,ভান্ডারপুর হাটে ১ সপ্তাহে ৪ টি হাটে ৮০০০ হাজার মন শুধু পটলের আমদানি হয়।
২০/টাকা মন হিসাবে রাজস্ব আদায় হয় ১৬০০০০/ টাকা। ৮ সপ্তাহে আদায়ের পরিমান দাঁড়ায় ১২৮০০০০/,টাকা। যদি শুধু পটল থেকে ১২৮০০০০/ হয়,তাহলে বিষাল অংকের অর্থ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। এবিষয়ে সহকারি কমিশনার ভূমি পলাশ উদ্দীন বলেন আমি পুকুর লিজ বিষয়ে দেখা শুনা করি। হাট ইজারা বিষয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা দেখা শুনা করেন। আপনারা ওনার সাথে কথা বললে ভাল হয়। হাট ইজারা বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেন, পরপর চার বার
টেন্ডার আহ্বান করে, সরকার নির্ধারিত মূল্যে কোন টেন্ডার না পাওয়ায়, খাস আদায়ের জন্য তহসিল অফিসকে বলা হয়েছে।
Leave a Reply