
শরীফ ফায়েজুল কবীর,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
মাদারীপুর পৌরসভা কর্তৃক বিগত ১৭ ই জুন/’২৬ তারিখে ১১০ কোটি ৬৭ লাখ ১৬ হাজার টাকার খসড়া বাজেট প্রণয়ন করে তা গণ্যমান্য পৌর নাগরিক সহ গণমাধ্যম কর্মী, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন সহ সবার সামনে উপস্থাপন করা হয়েছিলো – যা বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রচার করে। এ প্রেক্ষিতে সোমবার (২৯, জুন) উক্ত খসড়া বাজেটের উপর চুলচেরা বিশ্লেষণ ও পরীক্ষা- নিরীক্ষা শেষে প্রথম শ্রেণীর এই পৌরসভাটি কোনোরুপ কাটছাট ছাড়াই গণ্যমান্য সকলের উপস্থিতিতে প্রস্তাবিত পূর্বের খসড়া বাজেট অনুযায়ী হুবহু ১১০ কোটি ৬৭ লাখ, ১৬ হাজার টাকার চূড়ান্ত বাজেট উপস্থাপন ও অনুমোদন করলো। বাজেটটি উপস্থাপন করেন মাদারীপুর পৌরসভা প্রশাসক (উপসচিব) মোছাঃ জেসমিন আক্তার বানু। এসময় তাকে সহায়তা করেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকতা মোঃ আসমত হোসেন, নির্বাহী কর্মকতা খন্দকার আবু আহমেদ ফিরোজ ইলিয়াস সহ অন্যান্য কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ।বাজেট অনুষ্ঠানে গণমাধ্যম কর্মীরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম- আহবায়ক মোঃ সোহরাব হোসেন হাওলাদার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম লিটু, সিভিল সার্জন (সাবেক) ও নিরাময় হাসপাতাল (প্রাইভেট) লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার মোঃ সরোয়ার হোসেন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মকর্তা নাজনীন আফরোজ, টিআইবি’র জেলা শাখার সভাপতি খান মোঃ শহীদ, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর জেলা শাখার সভাপতি এনায়েত নান্নু, জেলা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুল হাওলাদার, সিনিয়র সাংবাদিক মাহাবুবুর রহমান বাদল সহ অন্যান্য সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী শরীফ মোঃ ফায়েজুল কবীর, এনজিও প্রতিনিধি ফরিদা ইয়াসমিন লাকি, সামাজিক সংগঠক আন্না আক্তার সহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানের সভাপতি ও পৌর প্রশাসক ( উপসচিব) জেসমিন আক্তার বানু তার বাজেট বক্তব্যে বলেন, মাদারীপুর পৌরসভাটি একটি প্রাচীণ ও প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা, এখানে নানাবিধ সমস্যা রয়েছে এবং তার সমাধানকল্পে তারা বদ্ধপরিকর, নাগরিকদের সেবার মান উন্নয়নই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। বাজেট এর আকার গতবারের তুলনায় অননেটা বড় ও চ্যালেঞ্জিং হলেও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা, ট্যাক্স দিতে সক্ষম অথচ এর বাইরে থাকা ট্যাক্স হোল্ডারদের সম্পৃক্তকরণ, টেকসই উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ড্রেণেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন সহ গৃহীত সকল প্রকল্পে সঠিক পরিকল্পনার সাথে পৌর নাগরিকদের সম্পৃক্তকরণ ও সকলের সহযোগিতা পেলে তা বাস্তবায়ন করা অসম্ভব হবে না। আমন্ত্রিত অতিথিদের অনেকে বাজেটটি-কে উচ্চাভিলাষী বলে অভিহিত করে তা বাস্তবায়নে সন্দেহ প্রকাশ করলেও চ্যালঞ্জিং এই বাজেটকে পৌর নাগরিকবান্ধব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে পৌরকর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
Leave a Reply