
লক্ষীছড়ি প্রতিনিধিঃ
খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি থানায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে ধারাবাহিক সাফল্যের নজির স্থাপন করছেন থানার এএসআই মোঃ রাফিদুল ইসলাম। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম সোহাগ-এর দিকনির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে একের পর এক হারানো মোবাইল উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ায় তিনি স্থানীয়দের প্রশংসা অর্জন করেছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৭ জুন) লক্ষীছড়ি থানার উদ্যোগে আরও একটি হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উদ্ধার হওয়া মোবাইলটির মালিক রঞ্জন চাকমা (৪৬)। তিনি সুনীল কান্তি চাকমা ও মায়াবী চাকমা-এর সন্তান। তাঁর বাড়ি আদালত সড়ক, খাগড়াছড়ি সদর থানা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মোবাইলটি VIVO Y19 মডেলের কালো রঙের একটি স্মার্টফোন, যার ৮ জিবি র্যাম ও ২৫৬ জিবি রম রয়েছে। মোবাইলটি হারিয়ে যাওয়ার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে লক্ষীছড়ি থানা। তদন্তের একপর্যায়ে মোবাইলটির অবস্থান শনাক্ত করে সেটি উদ্ধার করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে প্রকৃত মালিকের হাতে মোবাইলটি আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফিরে পেয়ে রঞ্জন চাকমা আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, আমি ভেবেছিলাম মোবাইলটি আর কখনো ফিরে পাব না। কিন্তু লক্ষীছড়ি থানার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও দক্ষ তদন্তের কারণে আমার মোবাইলটি ফিরে পেয়েছি। এজন্য ওসি স্যার, এএসআই মোঃ রাফিদুল ইসলাম এবং সংশ্লিষ্ট সকল পুলিশ সদস্যের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষীছড়ি থানার মাধ্যমে একের পর এক হারানো মোবাইল উদ্ধার হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে এএসআই মোঃ রাফিদুল ইসলাম-এর নিষ্ঠা, দক্ষতা ও প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের প্রশংসা করছেন অনেকেই। একই সঙ্গে ওসি মোঃ সাইফুল ইসলাম সোহাগ-এর নেতৃত্বে থানার জনসেবামূলক কার্যক্রমও স্থানীয়দের কাছে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, লক্ষীছড়ি থানার এ ধরনের উদ্যোগ শুধু হারানো সম্পদ উদ্ধারেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং জনগণের সঙ্গে পুলিশের পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
Leave a Reply