
শামীম শেখ,স্টাফ রিপোর্টারঃ
মাগুরার কৃতি সন্তান ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাইমুম সিরাজকে আহ্বায়ক ও আশরাফুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ৬১ সদস্য বিশিষ্ট ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র মাগুরা জেলা কমিটির অনুমোদন দিয়েছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি।
গত ১৪ মে স্বাক্ষরিত এক পত্রে আমরা জুলাই যোদ্ধা”র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলাম ইমন এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল মিরাজ
এই কমিটির অনুমোদন দেন।
এছাড়াও কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক সৈয়দ কুতুবউদ্দিন রানা, যুগ্ম-আহ্বায়ক (দফতর সংযুক্ত) মো. সুমন বিশ্বাস , যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. তুহিন বিশ্বাস, কামরুজ্জামান জুয়েল, জাহিদ হাসান টুটুল, হাবিবুর রহমান হাবিব, এলেম মুন্সি, এনামুল ইসলাম, তুহিন আল মামুন, মো. রতন মন্ডল, ইব্রাহিম সরদার, কারিম মিয়া, তাছাড়াও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফরিদ খানকে সিনিয়র সদস্য ও অন্যদেরকে সদস্য
করে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধার’ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নতুন দায়িত্ব পেয়ে আহবায়ক কাজী সাইমুম সিরাজ সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই যোদ্ধারা এ দেশের সম্পদ, রাষ্ট্রের সম্পদ, সমগ্র বাংলাদেশে তৃণমূলের প্রকৃত গেজেটভুক্ত আহত জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের পথচলা। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা লক্ষ্য করছি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল জুলাইকে কুক্ষিগত করে নিজেদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের নানা কৌশল, অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে।
এসব কুটচাল ও ষড়যন্ত্র রুখে দিতে প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের সমন্বয়ে আমরা “জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি” সমগ্র বাংলাদেশে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।
তারই ধারাবাহিকতায় মাগুরা জেলায় ৬১ সদস্যবিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির সকল সদস্যকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
আগামী দিনে মাগুরা জেলার আহত জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে তাদের সম্মান ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সরকারি উদ্যোগে আহত জুলাই যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা জরুরি।
মাগুরা জেলায় এখনও অনেক প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা গেজেটভুক্ত হতে পারেননি। দ্রুত যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত আহত যোদ্ধাদের গেজেটের আওতায় আনতে হবে।
পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাই যোদ্ধাদের পূর্ণ পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং তাদের পরিবারের পাশে সরকারকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কাজে এবং রাষ্ট্র মেরামতের প্রতিটি প্রক্রিয়ায় জুলাই যোদ্ধাদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মাণে জুলাই যোদ্ধারা যেন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন, সেই পরিবেশ ও সুযোগ রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে।