1. news@dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  2. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বগুড়া জেলা পরিষদে ডিএনসি’র জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম মির্জাপুরে শিশু কন্যাসহ গৃহবধূ নিখোঁজ, তিনদিনেও মেলেনি সন্ধান রাজাপুরে শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস উপহার দিলেন যুবদল নেতা ডিএনসির অভিযানে গাঁজাসহ গ্রেফতার-২ দুস্থদের পাশে সংসদ সদস্য শান্ত: ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ মাদারীপুরে প্রাইভেট শিক্ষক ধর্ষণ করলো পাঁচ বছরের শিশু কন্যাকে ভাঙ্গুড়ায় ব্র্যাক ডেইরির উদ্যোগে নারী দুগ্ধ খামারীদের আধুনিক ডেইরি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত রুদ্ধশ্বাস নাটকীয়তা শেষে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আজ শপথ নেবেন বিজয় আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী মাদারীপুরে বিপুল পরিমাণ গাঁজা ও ইয়াবাসহ আটক দুই মাদক কারবারী শিবগঞ্জে ট্যাপেন্টাডলসহ আটক-১,ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড নদীতে গোসলে যাওয়ার সময় বিষধর সাপের কামড়ে শ্রীপুরে কৃষকের মৃত্যু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী সপরিবারে যুক্তরাজ্যে গেলেন রাষ্ট্রপতি বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে মাদক সেবনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে বগুড়ায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন করে আহত করলো নেশাগ্রস্থ স্বামী আমতলীতে একশন এইডের পরিচালনায় জলবায়ু দূষনের প্রতিরোধ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ২১ দিন পর ইস্টার্ন রিফাইনারিতে উৎপাদন শুরু, স্বস্তি জ্বালানি খাতে ঈদের জন্য সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করল সরকার

জলঢাকা সাব রেজিস্ট্রি অফিস দুর্নীতির আখরায় পরিণত!

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫
  • ৪৩৮ বার পড়া হয়েছে
তুহিনুর রহমান,জলঢাকা (নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিস এখন দুর্নীতির স্বর্গরাজে পরিণত হয়েছে। সাধারণ জনগণের জমি-জমা সংক্রান্ত ন্যায্য কাজ সম্পন্ন করতে গিয়ে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।
গতকাল সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় দলিল প্রতি সরকারি এন এন ফি ২৪০ থেকে ৩৬০ টাকা হলেও বাস্তবে নেওয়া হচ্ছে ১২শ ৪০ থেকে ১৩শ টাকা! শুধু তাই নয়, টিপসই ফি, চেক কাটা কমিশনসহ নানা অজুহাতে জনগণের পকেট কাটছে এই অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এন এন ফি সংক্রান্ত বিষয়ে টিসি শাখা অবসরপ্রাপ্ত মোজাম্মেল বলেন, এসব টাকার বিভিন্ন খাত আছে।
সাধারণ জনগণ অভিযোগ করে বলেন, সাব রেজিস্ট্রারের দপ্তরে দলিল পার করাতে গেলে দুই-তিন দিন ধরে হয়রানির শিকার হতে হয়। নানা অজুহাতে ঘুরিয়ে রাখা হয়, যতক্ষণ না মোটা অংকের টাকা দেওয়া হয়। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী কিংবা বৃদ্ধদের দলিলের ক্ষেত্রে মানবিক দিক বিবেচনা না করে উল্টো মোটা অংকের ঘুষ দাবি করা হয়!
এসব অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলেও, সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কোনো কর্মকর্তার টনক নড়েনি। জনগণের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের, কিন্তু দপ্তরের কেউই বিষয়টি আমলে নিচ্ছেন না। প্রশ্ন উঠেছে, এত অনিয়মের পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেন নিশ্চুপ?
স্থানীয়রা দাবি তুলেছেন, এই দুর্নীতিবাজ সাব রেজিস্ট্রারকে দ্রুত অপসারণ করতে হবে। তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে, সাধারণ জনগণের হয়রানি বন্ধ হবে না। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগীরা।
এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান মোল্লা বলেন,
“আমি নতুন এসেছি, এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। তবে এন ফিসের জন্য ৩৬০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া যাবে। বাড়তি টাকা নেওয়ার কোনো নিয়ম নেই। টিপসইয়ের সময় কেউ খুশি হয়ে দিলে নিতে পারে, তবে সেটিও বাধ্যতামূলক নয়।”
আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২৬,আমাদের প্রকাশিত সংবাদ,কলাম,তথ্য,ছবি,কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট