1. news@dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  2. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
রংপুর কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের অবৈধ ৭ কর্মকর্তা ও কর্মচারী বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ কুয়েত ও বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালালো ইরান আজ থেকে চালু ভারতের পর্যটন ভিসা, যেভাবে করবেন আবেদন একচেটিয়া আধিপত্যে জয় নিয়ে গ্রুপপর্ব শেষ করল আর্জেন্টিনা মাদারীপুরে পুলিশ পরিচয়ে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের চাকুরীচ্যুত সেনা ও পুলিশ সদস্য ২ জনসহ মোট গ্রেফতার-৩ ফরিদপুরে ছাত্র শিবিরের মাদক বিরোধী সাইকেল র‍্যালি একের পর এক হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রশংসায় ভাসছেন লক্ষীছড়ি থানার এএসআই রাফিদুল ইসলাম শ্রীপুরে ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদককে পিটিয়ে আহত করতে হবে এনআইডি নবায়ন,মেয়াদ ও ফি কত? আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলসহ নকআউটে ২৭ দল,দেখুন কবে কোন দলের খেলা দেম্বেলের হ্যাটট্রিকে উড়ে গেল হালান্ডের নরওয়ে আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস পালিত দল-মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে চন্ডিপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ব্যক্তিগত সফরে গিয়ে গণসংবর্ধনা পেলেন মাদারীপুর সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া গাছতলায় আশ্রয় ৮০ বছরের বৃদ্ধ মায়ের,ছেলের ঘরে হলো না ঠাঁই রুহিয়া উপজেলায় গুপ্ত জামাত,এখন ইউনিয়ন বিএনপির নেতা চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ সিরাজগঞ্জ যমুনাচরে লাল সোনা খ্যাত মরিচের বাম্পার ফলন টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিতকল্পে ২০টি তরুণ সামাজিক সংগঠন নিয়ে মাদারীপুরে কর্মশালা অনুষ্ঠিত তথ্য প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে বন্ধ হয়ে যাওয়া রাস্তার পুনঃসংস্কার কাজের শুরু হাতীবান্ধায় ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে এইচএসসি-আলিম পরীক্ষার্থীদের দোয়া অনুষ্ঠান ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ চরফ্যাশনে দক্ষিণ আইচা কলেজের-২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত উলিপুরে ‘কমিউনিটি অ্যাকশন ফর ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং’ প্রকল্প অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজার চাঁদনী ঘাট ব্রিজ,সারা পৃথিবীতে উড়বে একদিন অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে মাদারীপুরে যুবকের ১৪ বছর কারাদন্ড জোড়া ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলায় ২০টি আফটারশক,১ লাখের বেশি মৃত্যুর শঙ্কা! সংসদে কুরআনের যে আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডা ও হট্টগোল অস্ত্র মামলায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তারেক রহমানের বেইজিং সফর ভারতীয় মিডিয়ার কড়া সমালোচনায় চীনা সংবাদমাধ্যমের ৪ মোবাইল অপারেটরের কাছে সরকারের পাওনা ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্রাজিলের সামনে তিন পথের রোডম্যাপ, কোন সমীকরণে কী?

উন্নয়নের নীল আকাশে কেন বিরোধিতার কালো মেঘের ঘনঘটা -ড. আব্দুল ওয়াদুদ

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে

গ্রামাঞ্চলে শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এখন সবচেয়ে সহজলভ্য বিক্রয় পণ্যে রুপান্তর করার বিষয়টি খুবই ন্যক্কারজনক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এলাকার সবচেয়ে ঘৃনিত চরিত্রের অসভ্য বখাটে ছেলেটা এখন ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতা, মাত্র একটা বড় অংকের অর্থের বিনিময়ে। যাদের চৌদ্দ গুষ্টির কেউ কোনদিন আওয়ামী লীগের নাম মুখে নেয়নি, তারা এখন রাতারাতি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। আর যারা দলের দুঃসময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করে দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছে তারা যেন রাজনীতির অঙ্গনে অসহায় শরণার্থী। সময়ের ব্যবধানে পারিবারিক সব ইতিহাস ও ঐতিহ্য এখন নব্য হাইব্রিড আওয়ামীলীগারদের পদাঘাতে বিলীন হচ্ছে নিরন্তর। যারা উঁচু গলায় সমাজে কথা বলতে সাহস করতো না, বংশানুক্রমে তারা সবাই এখন পদধারী এবং বড় বড় সামাজিক অবিচার ও অবক্ষয়ের নাটের গুরু । মদ, জুয়া, গাঁজা, ইয়াবা ইত্যাদি মাদক সেবন ও বাণিজ্য যেন স্বাভাবিক নিত্য নৈমিত্তিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে তাদের নেতৃত্বে। উঠতি যুবসমাজের নৈতিকতা ও সামাজিক শৃঙ্খলা নেই কোথাও। সম্মানিত মানুষেরা মুখ বুজে নিজের ইজ্জত বাঁচাতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছে। জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা এখন সেই সব বখাটে ও মূর্তিমান আতঙ্ক নেতাদের দয়ার উপর নির্ভরশীল। ৭১ এ রাজাকারদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে এলাকার সরকারি দলের দুধের মাছি নেতারা। তারা গোপনে-প্রকাশ্যে পুলিশের সাথে আঁতাত করে নিরীহ মানুষের জন্য গ্যাড়াকল তৈরি করে বড় অংকের অর্থ ভাগাভাগি করে নিচ্ছে।

সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাটবাজার ও মসজিদের সভাপতি সহ কমিটি এখন এলাকার চরিত্রহীন লম্পট শ্রেণীর বদমাশ ও সদ্য টাকাওয়ালা অর্থলিপ্সুদের দখলে। এমনকি মসজিদ পর্যন্ত টাকা আয়ের হাতিয়ারে রুপান্তিত হয়েছে । শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানেই নিয়োগ বানিজ্য ও মাসোহারা ভাগাভাগি।
যারা যুবতি মেয়ের বাবা তারাই শুধু জানেন, ঘরে যুবতী মেয়ে নিয়ে কতখানি শ্বাসরুদ্ধকর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিগত বছরগুলোতে এক শ্বাসরুদ্ধকর শ্বাপদসংকুল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে সমগ্র বাংলাদেশব্যাপী। তৃণমূল পর্যায়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার চিত্র প্রায় একই। শতশত যুবক ও যুবতীরা অন্যায় অত্যাচারের শিকার হয়েছে , যাদের মা বাবাদের বুক ফুটে কান্নার শব্দ টুকু উচ্চারণ করতেই মানা। ২২-২৫ বছর বয়সী সন্তান হারা মায়ের আর্তনাদ শুনেছেন কখনো?

এলাকার রাস্তার মোড়ের দোকানদার, এনজিওর দাদন নেওয়া সেই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, রিকসা-বাইসাইকেলের মিস্ত্রি, কাঠমিস্ত্রী, মুদি দোকানের মালিকেরা এখন অনেকেই জঙ্গি মামলার আসামি হয়ে এলাকা ছাড়া। তাদের পরিবারগুলো অনাহারে হাহাকার করছে। সন্তান ও স্ত্রী অনাহারে, যুবতি কন্যা ও কমবয়সী স্ত্রীকে বখাটে নেতার লোলুপ দৃষ্টিতে পুড়ে ছারখার হতে হতে অস্ফুটে উচ্চারণ করতে হচ্ছে। পবিত্র কুরআনের সুরা নিসার সেই বিখ্যাত আয়াত, “অমালাকুম লাতুক্কতিলুনা ফি ছাবিলিল্লাহি অল মুসতাদ”,…….”নির্যাতিত নারী ও শিশুরা চিৎকার করে বলছে, হে প্রভু, তোমার সাহায্য কতদূরে”?
তাদের কাছে পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, বিমানবন্দর, এক্সপ্রেসওয়ে ইত্যাদির মূল্য কত, ওরা কি তা ব্যবহার করে কোনোদিন? তাছাড়া ঢাকা থেকে পদ্মাসেতু পার হয়ে ওপারে যাওয়ার সময় গর্বে বুকটা ভরে ওঠে ঠিকই, কিন্তু এলাকায় গিয়ে মানুষের হাহাকারে তা বিলীন হয়ে যায় মুহূর্তেই।

যারা এলাকার মধ্যবিত্ত মানুষ, পারিবারিক ঐতিহ্যের ও সম্মানের কারনে বিভিন্ন সময়ে ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার ইত্যাদি পদে নির্বাচন করেছে, তারা সবাই এখন মামলার আসামি। জঙ্গি, খুন, ধর্ষন, লুটতরাজ ইত্যাদি মিথ্যা ও ভুয়া মামলায় ছেয়ে গেছে জনপদ। মৃতব্যক্তি, শিশু, বিদেশে কাজ করা শ্রমিক কেউই মিথ্যা মামলার আসামি হতে রক্ষা পাচ্ছে না। কোনো না কোনো সময়ে তাকে জেলে যেতে হয়েছে এবং হচ্ছে। আদালতে কোর্টের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা এখন তাদের জন্য নিরাপদ নয়। পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থা ও সম্মান বিনষ্টের পাশাপাশি ধ্বংস হয়েছে তাদের অর্থনীতি ও সন্তানের শিক্ষা। চরম হিংসাত্মক ও হিংস্র পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে ইউপি পর্যন্ত দলীয় প্রতীক বরাদ্দ করে। দলীয় প্রতীক পাওয়ার জন্য বিরাট অংকের বাণিজ্য হয়েছে। নেতাদের পকেট ভারি হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নকে গিলে খেয়ে ফেলেছে তার সহচর প্রভুরা। তারা টাকার বিনিময়ে ভোট করে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনে কেউ কেউ ১০০ কোটি টাকার উপরে খরচ করেন। অনেক নেতাদের টাকা খরচ করার স্টাইল, দেশে-বিদেশে সম্পদের ফিরিস্তি শুনলে মনে হয় তাদের নিজস্ব টাকশাল রয়েছে। টাকা পাচারের দুর্বার প্রতিযোগিতা করে, মানুষের অধিকার উপেক্ষা করে, মেগা প্রকল্পের নামে লুটপাট করে, বেগম পাড়া নামক বিলাসবহুল প্রাসাদ তৈরী করে এবং বিচার বিভাগের উপর হস্তক্ষেপ করে বিচারহীনতার সংস্কৃতি চালু করে, জাতিকে বিচার প্রাপ্তির অধিকার বঞ্চিত করে, নিজেদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি বিরোধী শিক্ষা কার্যক্রম চালু করে, শুধুমাত্র দলীয় বিবেচনায় অযোগ্য লোকদের চাকরি দিয়ে দেশের উন্নয়নের চেয়ে হাজার হাজার গুণ ক্ষতি হয়েছে বলে সাধারন মানুষের মধ্যে বিশ্বাস তৈরী হয়েছে।

সম্প্রতি জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন WFP (ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম) এর জরিপে দেখা যায় বাংলাদেশের প্রায় ৬৮% মানুষ অর্থাৎ প্রায় এগারো কোটি মানুষ খাদ্য সংকটে ভুগছেন। খাদ্যের চাহিদা মেটাতে তাদের ঋণগ্রস্ত হতে হয়েছে এমনকি অনেককে সম্পদ বিক্রি করতে হয়েছে । খাদ্য সংকটের এই অসহনীয় অচল অবস্থার জন্য দায়ী নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত মুষ্টিমেয় অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট, দুর্নীতিবাজ কিছু রাজনীতিবিদ ও দুর্নীতিবাজ আমলা। আাবার কিছু জ্ঞানপাপী, রাষ্ট্রদ্রোহী, ষড়যন্ত্রকারী পেছন থেকে কলকাঠি নাড়াচ্ছেন দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট খাদ্য দ্রব্য সরবরাহের বিঘ্নতার কারণে সৃষ্ট জটিলতা হয়েছে মরার উপর খাড়ার ঘা।

এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত ঐতিহাসিক ভুল গুলো মানুষের কাছে প্রকট আকার ধারণ করেছে, সেদিকে নেতাদের কোন খেয়াল আছে বলে মনে হয় না। সরকারের বিরোধিতা করছে এক বিশাল জনগোষ্ঠী। আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দরা কি বধির হয়ে গেছেন? তাদের কর্ণকুহরে কি সাধারণ মানুষের আর্তনাদ প্রবেশ করছে না?

বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শের সৈনিক হয়ে আমার সমালোচনায় অনেকে ক্ষুব্ধ হবে জানি। কিন্তু প্রকৃত সত্য বিভিন্ন দুর্নীতি ও স্বজন প্রীতির জন্য আওয়ামী লীগ সরকার দিনে দিনে তার জনসমর্থন হারাচ্ছে।

স্বজন হারানোর হাহাকার আর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে এসে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাল ধরেছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের। নতুন করে সূচনা করেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের সংগ্রাম। অনেক ঘাম, শ্রম আর রক্তের বিনিময়ে আজ বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনাময় দেশ, উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কতিপয় সুযোগ সন্ধানী, সুবিধাবাদী, দুশ্চরিত্র, দুর্বৃত্তের জন্য যুগ যুগ ধরে তিল তিল করে অর্জিত বাংলাদেশের অর্জনকে কিছুতেই বিসর্জন দেওয়া যায় না।

আমার অকুণ্ঠ বিশ্বাস, বঙ্গবন্ধু থাকলে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি বারবার বিভ্রান্ত হয়ে অনিশ্চিত অন্ধকারের দিকে ধাবিত হতো না। বঙ্গবন্ধুর রক্ত এবং আদর্শের সুযোগ্য উত্তরাধিকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কঠোর হস্তে সর্বাত্মক সংস্কার করে দুর্বৃত্তায়নের রাহু গ্রাস থেকে প্রাণপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে মুক্ত করবেন এবং বাংলাদেশের রাজনীতিকে করবেন পরিশুদ্ধ। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যেমন প্রয়োজন তেমনি দুর্নীতির লাগাম টেনেধরা একান্ত জরুরী। বিভিন্ন দল ও মতের অংশগ্রহণে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন না হলে দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজ করবে ও উন্নয়ন ব্যাহত হবে। তাই বিরোধী দল ও মতের প্রতি আরো সহনশীল আচরণ বঙ্গবন্ধুর মতো উদার নেতার উত্তরাধিকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে প্রত্যাশা।

লেখকঃ
ড.আব্দুল ওয়াদুদ
ফিকামলি তত্ত্বের জনক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক,
ওয়াইল্ড লাইফ ও মনোবিজ্ঞান গবেষক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২৬ দৈনিক আলোকিত নিউজ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ,ছবি,কপিরাইট আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট