
ক্রাইম রিপোর্টারঃ
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে বিভিন্ন এলাকায় এলজিইডির আঞ্চলিক সড়কে রেজিষ্ট্রেশন বিহীন ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার রাস্তা। ও অনুমোদনহীন অবৈধ ইট ভাটার কালো ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে ফসল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মালতিনগর, নৈইপাড়া , গোপিনাথপুর সাতকুশি, ক্ষিরতলা এলাকায় পুকুর খনন করে ড্রাম ট্রাকে মাটি বিভিন্ন অনুমোদনহীন অবৈধ ইটভাটায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এলজিইডির আঞ্চলিক সড়ক ও গ্রামীণ মেঠো রাস্তা। রেজিষ্ট্রেশন বিহীন ড্রামট্রাক চলাচলের কারণে ধূলো উড়ে ও অবৈধ ইট ভাটার কালো ধোঁয়ায়, লিচু, আম, নারিকেল গাছের মকুল ঝড়ে যাওয়ার পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে ফসল । ১৯৮৯ সালের ইট পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধিত) ২০০১ অনুযায়ী মাটির টপ সয়েল বা মাটির উপরিভাগ কেটে শ্রেণী পরিবর্তন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই আইনের ব্যত্যয় ঘটলে দুই লাখ টাকা জরিমানা আনাদায়ে ২ বছরের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। বেপরোয়া গতিতে অতিরিক্ত মাটি নিয়ে চলাচলের কারণে রাস্তায় খানা খন্দের সৃষ্টি হয়ে ঘটছে দূর্ঘটনা। ধূলোবালির কারনে অস্বস্তিতে পরেছে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলকরী বয়স্ক , শিশুসহ স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রী ও বিভিন্ন বয়সের মানুষ ।
রেজিষ্ট্রেশন বিহীন ড্রাম ট্রাক চলাচলের বিষয়ে রায়গঞ্জের পুলিশ পরিদর্শক সওজ ও যানবাহন, সোহেল রানা চৌধুরী মুঠোফোনে জানান, ড্রাম ট্রাকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। ইতিমধ্যে কিছু ড্রাম ট্রাক ড্রামপিং করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আ ফ ম ওবায়দুর ইসলাম বলেন, ধুলোবালি শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যামে শ্বাস তন্ত্রে চলে যায়, এতে ফুসফুস জনিত নানা রোগে মানুষ আক্রান্ত হয়। এ ক্ষেত্রে মুখে মাস্ক রুমাল দিয়ে চলাচলের পরামর্শ দেন।