
টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে নির্মাণাধীন এলজিইডির একটি ব্রিজের কাজে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে নির্মাণসামগ্রী সিমেন্ট ও রড সরিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, জনগণের নিরাপত্তার বিষয়টি উপেক্ষা করে ব্রিজের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের চেষ্টা করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, কাজটির সাব-কন্ট্রাক্টর হিসেবে মোঃ শরিফুল ইসলাম (কাউলজানী ইউনিয়ন) দায়িত্ব পালন করছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে এস এম জাহাঙ্গীর এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটির প্রোভাইডার মোঃ শহিদুল ইসলাম (জাহাঙ্গীর), তাঁর বাড়ি সখীপুর উপজেলার গোহাইলবাড়ী এলাকায় বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর তারা নির্মাণকাজে ব্যবহৃত উপকরণ ও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের ভাষ্য, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসীর দাবিগুলো হলো—
১. অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।
২. নির্মাণাধীন ব্রিজের কাজের গুণগত মান পরীক্ষা করতে হবে।
৩. অনিয়ম বা দুর্নীতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. সরকারি অর্থের অপচয় বা নির্মাণকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
৫. এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্বে অবহেলা বা যোগসাজশের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
এলাকাবাসীর বক্তব্য, সরকারি অর্থে নির্মিত অবকাঠামোর মান ও মানুষের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা উচিত নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।