
রাজাপুরপ্রতিনিধিঃ
ঝালকাঠির রাজাপুরে এলজিইডির আওতায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আর মৌরি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খাল পুনঃখননের একটি ছবি দিয়ে খাল খননে অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়। তবে অভিযোগের সাথে বাস্তবের মিল পায়নি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
বুধবার বিকেলে উপজলের আঙ্গারিয়া এলাকায় রাঢ়ি বাড়ীর সামনে থেকে শুরু হওয়া পুনঃখনন কৃত খালের বিভিন্ন স্থান থেকে ফিতা দিয়ে মাপ দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ সময় বসতবাড়ী ও খালের পাড়ে নরম মাটি থাকার কারনে দু-একটি স্থানে ৩০ ফিট এর জায়গায় ২৮-২৯ ফিট পান তিনি। যা ভেকু মেশিন দিয়ে কাটা সম্ভব না। সে সকল স্থানে শ্রমিক দিয়ে ড্রইং অনুযায়ী মাটি কেটে দেয়ার কথা জানান কর্তৃপক্ষ। এলজিইডির আওতায় খালটির প্রায় ১৪’ শত মিটার পুনঃখননে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২৪ লাখ টাকা।
এ সময় রাজাপুর এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার সহ সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জনগুরুর্ত্বপূর্ণ এই খালটি পুনঃখননে খুশি কৃষক সহ স্থানীয়রা।
খাল পুণঃখনন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি। এ সময় তিনি বলেন, খাল পুনঃখননে অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে আমারা এখানে এসেছি।আমার সাথে প্রকৌশল অধিদপ্তরের লোকজনও আছে। এখানে আমরা ফিতা নিয়ে এসেছি,ম্যানুয়ালি আমার চোখে যেটা দেখা বিভিন্ন যায়গায় মাপ নিলাম সেটা তারা যে ড্রইং ডিজাইন দেখিয়েছে সে অনুযায়ী পাওয়া গিয়েছে। এবং কিছু কিছু যায়গায় চোখে মনেহয় যে বাড়তি আছে, এ বিষয়ে তারা বলেছে যে যায়গা গুলোতে বাঁকে বাঁকে অল্প যে বাড়তি আছে সে যায়গা গুলোতে যদি ভেকু চালাতে যাই তাহলে পাড়টা সম্পর্ন্ন ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এটা পরবর্তীতে ম্যানুয়ালি ক্লিয়ার করা হবে।