
স্টাফ রিপোর্টারঃ
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় গত ১৯ এপ্রিল দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার প্রকাশিত ফরিদপুরে বাড়ি ছাড়া বিধবা আমেনা সহযোগিতা চায় সংবাদের বিরুদ্ধে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে গতকাল বিকালে ৫ টায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন খলিশাদহ গ্রামের মুরাদ ও আলম।
সংবাদ সম্মেলনে মুরাদ ও আলম দুই ভাই সহ এলাকার গন্য মান্য ব্যাক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে মুরাদ বলেন,জায়গার দাবীকারীনি আমেনা খাতুনের বাড়ি খলিশাদহ মৌজায় এবং বনওয়ারীনগর ইউনিয়নে। কিন্তু আমি আমার দোকান ঘর নির্মান করছি ডেমড়া ইউনিয়নের পাচুরিয়াবাড়ি মৌজার নদীর মধ্য যা পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাভুক্ত জায়গা।উক্ত জায়গা জৈনক মানিক ঐ জায়গায় দীর্ঘ ২০ বছর যাবতৎ দোকান ঘর নির্মান করে ব্যবসা করছিল। সম্প্রতি ঘরটি ঝড়ে পরে গেলে নতুন করে ঘর নির্মান করতে গেলে আমেনা খাতুন বাধা প্রদান করেন।
এই সংবাদ সম্মেলনের সূত্র ধরে আরো বিস্তারিত এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ফরিদপুর উপজেলার সার্ভেয়ার মো: মনোয়ারুজ্জামান বলেন,খলিশাদহ গ্রামের আমেনা খাতুন উপজেলা নির্বাহী স্যারের নিকট একটি লিখিত আবেদন করেন। উক্ত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে সরজমিন তদন্ত করার নির্দেশ প্রদান করলে আমি সেখানে পরিদর্শনে দিয়ে দেখতে পায়,অভিযোগ কারীর বাড়ি বনওয়ারীনগর ইউনিয়নে খলিশাদহ মৌজায় অপরদিকে দোকানঘরটি নির্মিত হচ্ছে সেটি ডেমড়া ইউনিয়নের পাচুরিয়াবাড়ি মৌজায় অবস্থিত। আমেনা খাতুন কোনভাবেই তার নিজ মালিকানা বাদী করতে পারে না।
সরজমিনে গিয়ে সাংবাদিকরা এর সত্যতা প্রমাণ পায়। অভিযোগ কারী আমেনা খাতুনের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায় নি এবং তার সাথে মুটো ফোনে ফোন করেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদের সাথে মুটো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,দোকান ঘর নির্মান কে কেন্দ্র করে আমেনা খাতুনকে নির্যাতন করা হয়েছে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে আমেনা খাতুনের ভাসুরের ছেলে মো. শামসুল ও দুলাল বলেন,আমেনা খাতুনকে কোন প্রকার নির্যাতন ও ঘর হতে বের করা হয়নি বা এমন ঘটনা ঘটেনি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার মো: রেজাউল করিম বলেন, উভয় পক্ষকে সঙ্গে করে নিয়ে উক্ত জায়গার জরিপের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করলে এই সমস্যা সমাধান হবে বলে আশাবাদ রাখেন।