
স্টাফ রিপোর্টারঃ
ঢাকার আশুলিয়ার ব্যক্তি মালিকানাধীন বসতবাড়ি ও জমি দখলের পাঁয়তারা করছে ভূমিদস্য ও চাঁদাবাজরা এতে এলাকায় উত্তেজনা ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানার শিমুলিয়া ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামে গোলাপি বেগমের বসতবাড়ি দোকান ও আবাদি জমি জোরপূর্বক দখলের পায়তারা করছে।
ভুক্তভোগী গোলাপী বেগম জানান, আমার ৩৫ বছরের সত্ব দখলীয় সম্পত্তি নামজারি করে প্রতিবছর খাজনাদি পরিশোধ করে আসছি। একটি বসত ঘর একটি গোয়ালঘর একটি দোকান ঘর নির্মাণ করিয়া বৈদ্যুতিক সংযোগসহ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছি। ভূমিদস্যু ১. আওলাদ হোসেন বাবর (৩৫) ২. মোহাম্মদ হালিম (৪৮) ৩. আমানুল্লাহ (৪৫) ৪. লিটন মিয়া (৪২) ৫. মোরশেদ আলী (৩৫) ৬. খোরশেদ আলী (৩০) ৭. জামাল মিয়া (৩৩) সর্ব থানা আশুলিয়া, সাভার ,ঢাকা ইতিপূর্বে উক্ত ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজরা আমার কাছে (৫,০০০০০) পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে । আমি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজরা আমার বসতবাড়ি দোকান ঘর ও আবাদি জমি জবরদখলের জন্য দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত হয়ে আমার ঘরের একাংশের দরজা জানালা ও টিনের বেড়া খুলে নেয়। আমি বাধা দিলে আমাকে ও আমার পরিবারের সকলকে প্রাণনাশের ও মিথ্যা মামলার হুমকি দেয়। অতঃপর আমি থানায় অভিযোগ করি থানা থেকে পুলিশ এসে তদন্ত করে চলে যায়। কিছুদিন পরে আবার ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজরা আমার জমি ও বাড়ি দখল করার জন্য পায়তারা করে আমি বাধা দিলে আমাকে মারার জন্য আক্রমণ করে স্থানীয়দের প্রতিরোধে কোনরকম প্রাণে বেঁচে যাই। এরপর ওদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া ভূমি অফিস ও সাভার নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ করি কিন্তু কোন প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে আশুলিয়া আর্মি ক্যাম্প কমান্ডারের বরাবর লিখিত অভিযোগ করি পরবর্তীতে আবার নিরাপত্তার জন্য উক্ত ভূমিদস্যু চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে মহামান্য আদালতে ১০৭ দ্বারা মামলা দায়ের করার পর দিন আবার ভূমিদস্যুরা আমার বাড়ি ও জমি জবরদখলের চেষ্টা করে পরবর্তীতে আমি মহামান্য আদালতে গিয়ে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা দায়ের করি । চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা মহামান্য আদালতের নির্দেশ অমান্য করে
০৫/০৩/২০২৬ ইং তারিখ রোজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৩ ঘটিকায় উক্ত ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজরা আমার সত্ব দখলীয় সম্পত্তি জবরদখালীর পাঁয়তারা করে এতে আমি ও আমার পরিবার এবং আত্মীয়-স্বজন প্রতিবাদ করলে ভূমিদস্যুরা আমাদেরকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে চলে যায়। ওরা খুব খারাপ প্রকৃতির লোকজন বর্তমানে আমাদের জীবনের সংশয় আছে।
স্থানীয় লোকজনদের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, গোলাপি বেগম প্রায় ৩৫ বছর যাবত বসতবাড়ি, দোকানপাট ও আবাদি জমি চাষাবাদ করে আসছে কিছুদিন যাবত উক্ত ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজরা গোলাপি বেগমের নিকট ( ৫,০০০০০) লক্ষ টাকা দাবি করে দাবীকৃত টাকা না পেয়ে বারবার বাড়ি ও জমি জমা জবরদখলের পায়তারা করছে। তারা খুব খারাপ প্রকৃতির লোকজন উক্ত সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজদের কারণে সাধারণ জনগণ অতিষ্ঠ হয়ে পড়ছে। এ ধরনের কান্ড দন্ডবিধি ও ভূমি আইনে সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ও ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য। আমরা সকলেই চাই ভূমিদস্য, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের আইনগত শাস্তি হোক।