1. news@dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  2. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে বিত্তবানদের প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জামায়াত নেতার লালমনিরহাটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের পুষ্প স্তবক অর্পণ মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারী গ্রেফতার একুশের চেতনা আমাদের অস্তিত্বের সাথে মিশে আছে: মির্জা ফখরুল সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে, জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লালমনিরহাটে মন্ত্রীর পুষ্পস্তবক না থাকায় বিব্রতকর পরিস্থিতি সান্তাহার রেলওয়ে জংশনে ডিএনসি’র মাদকবিরোধী লিফলেট বিতরণ বগুড়ায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা, স্বামী গ্রেপ্তার রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাদারীপুরের শিবচর বাজারে ভিন্ন কৌশলে অভিযান চালালেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ধুনটে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

লালমনিরহাটে মন্ত্রীর পুষ্পস্তবক না থাকায় বিব্রতকর পরিস্থিতি

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তবে সেখানে নিজের নামে পৃথক কোনো পুষ্পস্তবক না পেয়ে তিনি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন।
একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদনের প্রস্তুতিকালে মন্ত্রী জেলা প্রশাসককে উদ্দেশ করে বলেন, “আমার পুষ্পস্তবক কোথায়? আমি তো প্রশাসনিক কোনো লোক নই।” সরকারি প্রটোকল অনুযায়ী মন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের যাবতীয় আয়োজন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করার কথা থাকলেও এ ক্ষেত্রে তা অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার মুখে পড়েন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এ ঘটনাকে ‘প্রটোকল লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব তাজুল চৌধুরী বলেন, সরকারি প্রটোকল অনুযায়ী মন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন জেলা প্রশাসনেরই করার কথা। তাদের উদাসীনতায় শুধু মন্ত্রীই নন, উপস্থিত সবাই বিব্রত হয়েছেন।
সাংস্কৃতিক সংগঠক শামীম আহমেদও একে প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা হিসেবে উল্লেখ করেন।
লালমনিরহাট জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনিছুর রহমান ভিপি আনিছ জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
এদিকে একই দিনে আরেকটি ঘটনা নিয়েও সমালোচনা সৃষ্টি হয়। একুশের প্রভাতফেরি থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মাইকে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি বাজানো হয়নি। মাইক বন্ধ থাকায় উপস্থিত অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন।
পরে লালমনিরহাট সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও টিআইবি সদস্যরা শহীদ মিনারে গিয়ে সমবেত কণ্ঠে গানটি গেয়ে প্রতিবাদ জানান। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলা প্রশাসন দ্রুত জেলা তথ্য অফিসের মাইক এনে সকাল ১০টার দিকে গানটি প্রচার শুরু করে।
নাট্য সংগঠক সুপেন দত্ত ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সূফী মোহাম্মদ বলেন, মহান একুশে ফেব্রুয়ারির দিনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় ঐতিহ্যবাহী গানটি না বাজানো একুশের চেতনার পরিপন্থী। তারা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।
ঘটনাগুলো ঘিরে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও সমন্বয় নিয়ে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২৬ আমাদের প্রকাশিত সংবাদ,কলাম,তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট