1. : lf_qJ9tbNbwyV2F :
  2. live@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  3. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে দুর্নীতির মহোৎসব,জিম্মি সেবাগ্রহীতারা নেপথ্যে দালাল-সিন্ডিকেট কাজিপুরে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। পঞ্চগড়ের নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে সাংবাদিককে ডেকে হেনস্তার অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে দুই ভবনের মাঝখানে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত,নিহত-৩ আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশেষ সংবাদ সম্মেলন মিঠাপুকুরের বৈরাগীগঞ্জে মহাসড়ক দখল করে দোকানঘর নির্মাণ সিরাজগঞ্জে ডিম ও মুরগির বাজারে ভোক্তা অধিকারের অভিযান দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা মির্জাপুরে জঙ্গলে গামছায় মোড়ানো নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার সখীপুরে শামীম টাওয়ার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ডিজেলের দামে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন রেকর্ড প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ,দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় প্রধান অতিথি এমপি জাহান্দার আলী গোপালগঞ্জে তিন দিন নিখোঁজের পর পাটখেত থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার রংপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু সিংগাইরে দৈনিক আলোকিত নিউজে সংবাদ প্রকাশের পর অনুমোদনহীন কারখানা সিলগালা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবদল নেতার ফোন না ধরায় তিতাস কমিউটারের কাউন্টার ম্যানেজার ও স্টাফকে মারধর করার অভিযোগ সাংবাদিক অপহরণ-মারধরের ঘটনায় আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে কক্সবাজারে মানববন্ধন দক্ষিণ আইচায় পরপর ৪টি ট্রান্সফরমার চুরি গ্রেফতার-১ কাজিপুরে পুলিশের পৃথক অভিযান,গাঁজা ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার-৩

নেপালে বন্যা-ভূমিধসে ধ্বংস ২০ হাজার ঘর

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে প্রায় ২০ হাজার ঘরবাড়ি নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। একই সঙ্গে ধ্বংসস্তূপ ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর ও কাদামাটি নেমে আসে। এতে চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের দরিদ্র এলাকাগুলোতে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়। পানির প্রবল স্রোত ও ধ্বংসস্তূপে বহু বসতি ও গ্রাম তলিয়ে যায়। ধ্বংস হয়ে যায় ঘরবাড়ি, সড়ক ও স্কুল।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান ধর্মরাজ উপ্রেতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ ঘর সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে কিছু পানির স্রোতে ভেসে গেছে, আবার কিছু কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে। এখনো দাঁড়িয়ে থাকা অনেক ঘরও বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার ঘর নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন হতে পারে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।

এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ৪ হাজার ২০০ জনের বেশি। ঘরবাড়ি হারিয়ে হাজার হাজার মানুষ অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

এদিকে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। উদ্ধার অভিযানে যুক্ত এক সেনা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, নিখোঁজ শ্রমিকদের জীবিত উদ্ধারের আশা এখনো রয়েছে। তাই সুড়ঙ্গগুলোতে তল্লাশি অব্যাহত রাখা হয়েছে। জীবিত কাউকে পাওয়া না গেলেও মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হবে।

ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় বিভিন্ন সুড়ঙ্গে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বিশেষ উদ্ধারকারী দলও নেপালে পৌঁছেছে। দলটির সঙ্গে রয়েছে ড্রোন, প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী কুকুর, শব্দ শনাক্তকারী যন্ত্র, ভিডিও সরঞ্জাম ও তাপ শনাক্তকারী ক্যামেরা।

দলটি বাতার এলাকায় ঘাঁটি স্থাপন করেছে। ওই এলাকায় আপার ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে। সেখানে দক্ষিণ কোরিয়ার নয়জন শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্যোগের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে নেপাল সরকার। অনেক মানুষ ঘরবাড়ির পাশাপাশি নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র ও পাসপোর্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রও হারিয়েছেন।

নেপালের জাতীয় জরুরি পরিচালনা কেন্দ্রের কর্মকর্তা ফণীন্দ্র পৌডেল বলেন, মানুষের অগ্রাধিকার এখন স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফেরা। নিয়মিত ক্লাস শুরু না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে শিশুদের পড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

শিশুদের পড়াশোনা পুনরায় চালু করার পাশাপাশি নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, বন্যার এক সপ্তাহের বেশি সময় পরও অন্তত ২২ হাজার শিশুর নিরাপদ পানীয় জল, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি-সংক্রান্ত জরুরি সহায়তা প্রয়োজন।

দুর্যোগে বহু স্কুল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিকল্প জায়গায় পাঠদান চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে শিশুদের ক্লাস নেওয়ার জন্য নিরাপদ ভবন খুঁজে পাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় শিক্ষকরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট