
নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় বিরোধপূর্ণ জমির গাছ কাটা নিয়ে দুই পক্ষে সংঘর্ষে একজনের প্রাণ গেছে; এতে আহত হয়েছেন আরও দুইজন।
বুধবার সকালে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড ময়দান পাড়া এলাকায় এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে আটক করার কথা জানান ডোমার থানার ওসি হাবিবুল্লাহ হাবিব।
নিহত মজনু মিয়া (৫০) ওই এলাকার প্রয়াত তফির উদ্দিনের ছেলে। আহত বাবলু ও নুরুল হক কালু রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা মজনু মিয়া ভাই।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তফির উদ্দিনের তিন ছেলে বাবলু, মজনু ও নুরুলের পারিবারিক এক জমি নিয়ে সাবেক কাউন্সিলর বেলাল হোসেন ও তার পরিবারের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলা হলে বিচারক তিন ভাইয়ের পক্ষে রায় দেন।
এদিন সকালে ওই তিন ভাই বিরোধপূর্ণ জমিতে শুকনো একটি গাছ কাটতে গেলে বেলাল হোসেনসহ তার পরিবারের লোকজন বাধা দেন। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে বাবলু, মজনু ও নুরুল আহত হয়।
পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মজনুকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল কর্মকর্তা আসমাউল হুসনা বলেন, মজনুকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে তার মৃত্যু হয়। তার মাথা ও শরীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আহত অপর দুইজনের অবস্থা আশঙ্ক্ষাজনক হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মজনুর ভাতিজি মিম আক্তার অভিযোগ করে বলেন, “ঘটনার সময় ডোমার থানায় ও জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দিলেও পুলিশ এক ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে আসে। তারা যদি সময়মতো আসতো, তাহলে হয়ত কেউ মারা যেত না।”
ওসি হাবিবুল্লাহ হাবিব জানান, এ ঘটনায় দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।