
আইয়ুব আলী,সিরাজগঞ্জঃ
১৪০০ শহীদের রক্তস্নাত বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সরকারের মন্ত্রী পরিষদে সবচেয়ে দক্ষ ও চৌকষ ০২ জন মন্ত্রী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন । আপনাদের কাছে দেশের মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা অনেক বেশি । জন আকাঙ্ক্ষা পূরনে আপনারা দেশবাসীর কাছে দায়বদ্ধ। দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৯ টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩২ হাজার বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে । দীর্ঘ এক দশক ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ গুলো শূন্য। প্রধান শিক্ষকদের অবসর ও মৃত্যুজনিত কারণে বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য হয়ে পড়েছে। যা দীর্ঘদিনেও আর পূরণ হয়নি। প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় শ্রেণীকক্ষে পাঠদানসহ নানাপ্রকার দাপ্তরিক কাজে বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি সার্বিক শিক্ষায় বিঘ্ন ঘটছে। প্রায় ১০/১২ বছর হলো সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদে সরাসরি নিয়োগ না থাকায় এ পদগুলো শূন্য আছে। ২০২৫ সালে ১১০০ জন প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিঙ্গপ্তি প্রকাশিত হলেও নিয়োগ সম্পন্ন করতে পারে নাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
এসব সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বহুবিদ দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় শ্রেণীকক্ষে নিয়মিত পাঠদান করতে পারছেন না। আবার প্রধান শিক্ষকের একটি পদ শূন্য থাকা মানে বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষক কম থাকা। একজন নিয়মিত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক যেভাবে দক্ষতার সাথে সুনিপুনভাবে বিদ্যালয় পরিচালনা করতে পারেন তা একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের পক্ষে অনেক ক্ষেত্রেই হয়ে উঠে না। গত ২০১৮ সালে প্রাথমিক ও গনশিক্ষা অধিদপ্তর বিভিন্ন উপজেলার জ্যেষ্ট সহকারী শিক্ষককে প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব প্রদান করেন। তারা অতিরিক্ত এক হাজার পাঁচ শত টাকায় প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করে আসলেও এখন পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে স্থায়ী হতে পারেনি। শূন্য পদগুলি অনতিবিলম্বে পূরণ করে বিদ্যালয়গুলো সঠিকভাবে পরিচালিত হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন প্রধান শিক্ষকবিহীন সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ।