
ফায়েজুল শরীফ,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
মাদারীপুরে র্যাব-৮ ( সিপিসি-৩) এর একটি আভিযানিক টিম গোয়েন্দা তথ্য,বিশ্বস্ত সোর্স ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় হাত বোমা তৈরীর সময় ২ জন নিহতের ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার (১৩ জানুয়ারী) রাতে র্যাব-৮ মাদারীপুর- এর কামান্ডিং অফিসার পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন স্বাক্ষরিত প্রেস রিলিজে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ০৮/১/২৬ তারিখ শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারী কান্দি সাগর বেপারী (৩৫) এর বাড়ীতে রাত পৌনে চারটার দিকে হাত বোমা তৈরীর সময় তা বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়ে ঘরের চাল ও বেড়া ছিন্নভিন্ন হয়ে উড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলের সন্নিকটে স্থানীয় দেলোয়ার বেপারীর পুত্র সোহান বেপারী (৩২) এর মৃতদেহ পড়ে থাকে এবং হাত বোমায় আহত নবীন সরদার (২২) নামে আরেকজন মারাত্মক আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরে তার সেখানে মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় জাজিরা থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পরে একটি মামলা রুজু করে পুলিশ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মাদারীপুর র্যাব-৮ (সিপিসি-৩) হাতবোমা তৈরী, বিস্ফোরণ ও ২ জন নিহতের রহস্য উদঘাটন ও জড়িত আসামীদের গ্রেফতারে গুরুত্ব বিবেচনায় তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার সহ ছাঁয়া তদন্ত শুরুর মাধ্যমে বিশ্বস্ত সোর্স নিয়োগ করে জড়িত ৫ জন আসামী সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। এরই প্রেক্ষিতে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত শরীয়তপুর সদরের পালং থানাধীন বিলাশখান এলাকা থেকে প্রথমে আসামী মাহমুদুল বেপারী (৩২), সুজন বেপারী (৩২)-কে গ্রেফতার করে। পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে একই থানাধীন মনোহর এলাকা থেকে ছিদাম বেপারী(৪০) ও প্রেমতলা এলাকা থেকে রনি ভূইয়া (৩০)-কে গ্রেফতারে সক্ষম হয়। এছাড়াও ঢাকার কামরাঙ্গীরচর সরকারী হাসপাতাল এলাকা থেকে আরেক আসামী মমিন ভূইয়া (২২)-কে গ্রেফতার করে মাদারীপুর র্যাব-৮ এর বিশেষ টিম। পরে তাদেরকে শরীয়তপুর সদর পালং মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধযে ক্লু-লেস আসামীদের সনাক্ত ও গ্রেফতারে সক্ষম হওয়ায় মাদারীপুর র্যাব-৮ এর আন্তরিকতা, চৌকসতা ও দক্ষতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সুশীল সমাজ।