1. : lf_qJ9tbNbwyV2F :
  2. live@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  3. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অবসরের ঘোষণা দিলেন লিওনেল মেসি চীনের কাছে আগাম সতর্কবার্তা চেয়েছিল নেপাল,দুর্যোগের পর উঠছে প্রশ্ন পূর্ব নওখন্ডা সিদ্দিকিয়া আলিম মাদ্রাসায় দাখিল উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও প্রবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠিত  গণতন্ত্রের মা’ খালেদা জিয়ার আদর্শেই এগোবে বিএনপি: রিজভী শরীয়তপুরে প্রবাসীর ৩৭ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার আত্মসাত করে পালিয়েছে স্ত্রী নুসরাত জাহান পাপিয়া নামের এক নারী বদলগাছীতে নজরুল বর্ষ অনুষ্ঠিত লাহিড়ীতে স্বামী-স্ত্রীর বিরোধের জেরে মেয়ের বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে টাকা-স্বর্ণ লুটের অভিযোগ কাজিপুরে ডেঙ্গু আতঙ্ক, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ৪৪ জন উলিপুরে গাঁজা সেবনের দায়ে যুবকের তিন মাসের কারাদণ্ড বগুড়ায় হৃদয় হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড,তিনজনের যাবজ্জীবন আমতলী সৌন্দর্যবর্ধনে সাড়ে ১২ কোটি টাকার কাজ চলাকালেই ধসে পড়ল টুঙ্গিপাড়ায় সরকারি জায়গা দখল করে পাকা দোকান নির্মাণের অভিযোগ সব পাপ ধুয়েমুছে আল্লাহর নাম নিয়ে মরতে চাই: পপি জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা জাতীয় সংসদে চারটি সংসদীয় কমিটি পুনর্গঠন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব গাজীপুর মহানগর শাখার উদ্যোগে আনন্দঘন পরিবেশে নৌকা ভ্রমণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত পাসপোর্ট অফিসে হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ,৫ দফা দাবি ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় বড় হামলার প্রস্তুতি রাশিয়ার দেশের ১,৪৯৮ পর্যটন কেন্দ্র ঘিরে সরকারের মহাপরিকল্পনা ৫ আগস্টের আগে কিছু সাংবাদিক গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলেন, সাংবাদিক ইউনিয়নের অনুষ্ঠানের,ইঞ্জিনিয়ার শ্যামল

চীনের কাছে আগাম সতর্কবার্তা চেয়েছিল নেপাল,দুর্যোগের পর উঠছে প্রশ্ন

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

প্রলয়ংকরী পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের কয়েক মাস আগে তিব্বত-নেপাল সীমান্তে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি নিয়ে চীনের সঙ্গে বৈঠক করেছিল নেপাল। ওই বৈঠকে হিমবাহ, বন্যা ও আবহাওয়াজনিত ঝুঁকি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি আগাম তথ্য আদান-প্রদানের বিষয়ে আলোচনা হয়। তবে নেপালের কর্মকর্তাদের দাবি, তারা চীনের কাছ থেকে যে মাত্রার তথ্য আশা করেছিলেন, তা পাননি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৭ মে কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে নেপালের ১০ জন কর্মকর্তা এবং চীনের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা অংশ নেন। চীনা প্রতিনিধিদের মধ্যে দুর্যোগকবলিত তিব্বত অঞ্চলের কর্মকর্তারাও ছিলেন।

বৈঠকে বন্যা, আবহাওয়া ও হিমবাহ-সম্পর্কিত ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ঝুঁকি কমাতে হিমবাহ থেকে সৃষ্ট হ্রদগুলোর তালিকা তৈরি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানচিত্র তৈরির প্রস্তাবও দেওয়া হয়।

তবে বৈঠকের পর হিমবাহের পরিস্থিতি ও পানির স্তর নিয়ে নেপাল যতটা তথ্য চেয়েছিল, ততটা পায়নি বলে জানিয়েছেন দেশটির দুই কর্মকর্তা।

নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগের বিশেষজ্ঞ সৌহার্দ্য যোশি রয়টার্সকে বলেন, হিমবাহ বা সংশ্লিষ্ট এলাকায় কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে সেটি আগেভাগে জানানোই ছিল নেপালের মূল প্রত্যাশা।

নেপালের আরেক পানিবিশেষজ্ঞ বিনোদ পরাজুলি বলেন, তিব্বতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস পাওয়া গেলে চীনা পক্ষ তথ্য দেয়। কিন্তু তুষারধস, পানির স্তর বৃদ্ধি, ভূমিধস কিংবা চরম আবহাওয়াজনিত ঘটনাগুলো সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য পাওয়া যায় না।

তিনি জানান, প্রায় এক মাস আগে থেকে চীন উইচ্যাট ও ই-মেইলের মাধ্যমে তিব্বতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস পাঠাতে শুরু করেছিল।

তবে ভয়াবহ দুর্যোগের ১২ দিন আগে চীনের বিশ্ব আবহাওয়া কেন্দ্র নেপালকে একটি ই-মেইলে সতর্ক করেছিল। সেখানে ১৪ থেকে ১৯ আগস্ট ওই এলাকায় মৌসুমি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি, ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার আশঙ্কার কথা বলা হয়।

চীনা দূতাবাস অবশ্য নেপালের সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে। দূতাবাসের দাবি, দুর্গম হিমালয় অঞ্চলে ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত কঠিন এবং চীনা ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে কাজ করছেন। তাদের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নেপালের সঙ্গে সময়মতো আদান-প্রদান করা হয়েছে।

এদিকে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের পর নেপালে চীনের কাছ থেকে আরও কার্যকর আগাম সতর্কবার্তার দাবি জোরালো হয়েছে। নেপালি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে তুষারধস, হিমবাহ হ্রদ থেকে পানি বেরিয়ে আসা এবং নদীর পানির স্তর নিয়ে আরও ঘন ঘন তথ্য পেতে চীনের সঙ্গে নতুন তথ্য আদান-প্রদান চুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নেপালের কর্মকর্তাদের মতে, সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আগাম সতর্কবার্তা পাওয়ার সময় যত কমানো যাবে, তত বেশি মানুষের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হবে। তাদের লক্ষ্য, ভবিষ্যতে কোনো বড় দুর্যোগ যেন পর্যবেক্ষণ ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার বাইরে না থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট