1. live@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  2. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক, গুরুত্ব পেল শ্রমবাজার ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করল ইসরায়েল কলকাতায় হোটেলে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৯ বাংলাদেশি গোপালগঞ্জে ৬৪ হাজারের বেশি ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেফতার ভাঙ্গুড়ায় অটোবোরাকের চাপায় পথচারীর মৃত্যু,চালক পলাতক লিগ্যাল প্রফেশনকে অনন্য উচ্চতায় নিতে চাই,আইনমন্ত্রী মাদারীপুর-১ সংসদীয় আসনের এমপি-কে শিবচর প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা প্রদান উলিপুরে ইয়াবা ও গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার  আমতলীতে যুব ফোরামের বার্ষিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শশীভুষন থানা পুলিশের বড় সাফল্য ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী তমাল জমাদ্দার গ্রেফতার

লিগ্যাল প্রফেশনকে অনন্য উচ্চতায় নিতে চাই,আইনমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ অগাস্ট, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আইন,বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে ঢেলে সাজিয়ে দেশের লিগ্যাল প্রফেশনকে (আইন পেশা) এমন একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে আগামী প্রজন্ম এই পেশায় আসতে মানসিকভাবে আগ্রহী হয়। এজন্য আইনজীবীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বার কাউন্সিলের সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করতে হবে।

‎​মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর রমনা এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ভবনে ঢাকা ব্যাংকের নতুন সাব-ব্রাঞ্চ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
‎​আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অন্যান্য পেশাজীবীদের মতো আইনজীবীদেরও নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। চলতি বছর আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের সুবিধার্থে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই বরাদ্দের পরিমাণ আরও বাড়ানো হতে পারে।

‎​তিনি বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা কর্মজীবনে প্রবেশের পর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন, এমনকি বিচারকদের জন্যও প্রশিক্ষণের বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু আইনজীবীদের জন্য এ ধরনের পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণের সুব্যবস্থা নেই। মূলত সনদ পাওয়ার পর একজন আইনজীবী জ্যেষ্ঠ (সিনিয়র) আইনজীবীর অধীনে কাজ করতে করতেই প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। তবে এই অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা ও জ্ঞানকে আরও পরিশীলিত করার উদ্দেশ্যে বার কাউন্সিলের একটি সুনির্দিষ্ট ও কার্যকর প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থাকা একান্ত প্রয়োজন।
‎​দেশের ব্যাংকিং খাত প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ঋণের সব শর্ত ঠিকঠাক পূরণ করার পরও কোনো উদ্যোক্তাকে নির্দিষ্ট সময়ে ঋণের অর্থ ছাড় না করাটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। অথচ ব্যাংক আগেই ওই গ্রাহকের সম্পত্তি জামানত (মর্টগেজ) হিসেবে জমা রাখে এবং চেকও গ্রহণ করে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণ ও অসহায় মানুষ কোথায় আশ্রয় নেবে—এই প্রশ্নের স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা দরকার।

‎​আইনমন্ত্রী ব্যাংকিং খাতের নিম্নস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের ঝুঁকির বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অনেক সময় উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ নির্দেশ পালন করতে গিয়ে ব্যাংকের জুনিয়র কর্মকর্তারা ফাইলে স্বাক্ষর বা ইনিশিয়েট করেন। পরবর্তীতে উক্ত ঋণ বা আর্থিক অনিয়মের কোনো ঘটনা নিয়ে মামলা হলে শুধু ওই জুনিয়র কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকার কারণে তাঁকে আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। শুধুমাত্র চাকরি রক্ষার তাগিদে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলা কর্মকর্তাদের এ জাতীয় ঝুঁকি থেকে কীভাবে সুরক্ষা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের দ্রুত ভাবা উচিত।

‎​বার কাউন্সিলের আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, বার কাউন্সিলের যাবতীয় আর্থিক কার্যক্রমকে পূর্ণ স্বচ্ছতার আওতায় আনতে অভ্যন্তরীণ অডিটের পাশাপাশি নিরপেক্ষ বহিরাগত অডিটের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বার কাউন্সিলকে আরও শক্তিশালী করে তোলা হবে।
‎​আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করেছে। আইন মন্ত্রণালয় ‘রুলস অব বিজনেস’-এর আওতায় বার কাউন্সিলের নানা কাজের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে। দেশের আইন পেশাকে আন্তর্জাতিক ও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে বার কাউন্সিলের সাথে সমন্বয় রেখে যা যা করা সম্ভব, সরকার তার সবই করবে।

‎​তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, বার কাউন্সিলকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু কিংবা দুর্নীতির জায়গায় পরিণত করার কোনো প্রয়োজন নেই। বরং উপযুক্ত শিক্ষা, মেধা, প্রজ্ঞা, পরিশ্রম ও পেশাগত দক্ষতার চমৎকার সমন্বয়ে বার কাউন্সিলকে এমন এক প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে হবে, যা নতুন প্রজন্মের কাছে আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার বড় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।

‎​আইনমন্ত্রী আরও যোগ করেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের বর্তমান নেতৃত্ব অত্যন্ত তরুণ, গতিশীল ও দক্ষ। সকলে মিলে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে বার কাউন্সিলকে আইন শিক্ষার্থী এবং তরুণ আইনজীবীদের জন্য একটি স্বপ্নের ঠিকানায় পরিণত করা পুরোপুরি সম্ভব।

‎​উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান সিনিয়র অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এমপি, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. বদরুদ্দোজা বাদল এবং ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট