
মাহিদুল ইসলাম আউলিয়া (রংপুর) প্রতিনিধিঃ
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাবার সরবরাহে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে । মাংস ও মাছ পরিমাণে কম দেওয়া হয়। একশ গ্রাম খাসির মাংসের পরিবর্তে ২০/৩০ গ্রাম দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও, ঈদের দিনে বিশেষ খাবারও পরিমাণে কম দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগীরা। লাচ্ছা সেমাইও কম দেওয়া হয়েছে। অন্ত. বিভাগের রোগী আতোয়ার রহমান, জোবেদ আলী, আফজাল হোসেন, মোহসীন আলী (৫৮), লোকমান মন্ডল (৫২) সকালে অর্ধেক পাউরুটি, অর্ধেক সাগর কলা আর ডিম দিয়েছে। দুপুরে ব্রয়লারের মাংস এক টুকরো আর অল্প কিছু ভাত। খাবার খেয়ে পেটই ভরেনা। তাই, বাড়ি থেকে ভাত তরকারি এনে খাই। ঈদের দিন ছোট মগ দিয়ে অর্ধেক মগ সেমাই দিয়েছে। সকালে দিয়েছে এক টুকরো ছোট আকারের খাসির মাংস ওজন ৩৫ থেকে ৫০ গ্রাম গ্রাম হবে। রাতে ২০ গ্রাম ওজনের ব্রয়লার মাংস এক টুকরো দিয়েছে। জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রোগীদের খাবার সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছেন শাহজাহান আলী।।সপ্তাহের ৭দিন পালাবদল করে রুই মাছ, খাসির মাংস, সবজি, ডাল-ভাতসহ খাবার সরবরাহের নিয়ম রয়েছে। রোগী প্রতি ১০০ গ্রাম রুই মাছ, ১০০ গ্রাম খাসির মাংস দেয়ার কথা। সকালের নাস্তায় একটি করে মালভোগ কলা, একটি বড় পাউরুটি, ডিম দেওয়ার কথা। এছাড়াও, বছরের বিশেষ দিনে উন্নতমানের খাবার পোলাও, মাংস, সেমাই, দুধ দিতে হবে। কিন্তু, ঠিকাদার নিজের ইচ্ছামত বাজার খরচ করে রোগীদের মাঝে নিম্নমানের ও পরিমাণে কম খাবার সরবরাহ করেন। রুই মাছ ও খাসির পরিবর্তে সিলভার কার্প ও ব্রয়লার মুরগীর মাংস দেয়া হয়। একশ গ্রাম খাসির মাংসের পরিবর্তে ২০/৩০ গ্রাম দেয়া হচ্ছে। রোগী কামরুল হক (৫৬) ও বকুল মিয়া (৬০) বলেন, ‘সকালের নাস্তা হিসেবে একটি ছোট পাউরুটির অর্ধেক, মালভোগের পরিবর্তে অর্ধেক সাগর কলা ও ডিম দিয়েছে। কোনোদিন শুধু খিচুড়ি দেওয়া হয়। দুপুরে যে পরিমাণ খাবার দেয়, তা দিয়ে পেট ভরেনা। ঈদের দিনের রোগী আতোয়ার রহমান,জোবেদ আলী বলেন, ঈদের দিন ছোট মগ দিয়ে অর্ধেক মগ সেমাই দিয়েছে। সকালে দিয়েছে এক টুকরো ছোট আকারের খাসির মাংস ওজন ৩৫ থেকে ৫০ গ্রাম গ্রাম হবে। রাতে ২০ গ্রাম ওজনের ব্রয়লার মাংস এক টুকরো দিয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর হোসেন বলেন,অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।