
আলমডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা ইউনিয়নের কয়রাডাঙ্গা এলাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণাকালে দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর নারী সমর্থকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে কয়রাডাঙ্গা ক্লাব মোড়ে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চিৎলা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ইউপি সদস্য হাফিজ নিজামউদ্দিন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসনের নির্বাচনী পরিচালক নূর মোহাম্মদ হোসেন টিপু, সহকারী পরিচালক কাইমুদ্দিন হিরোক, জেলা আইন বিষয়ক সম্পাদক দারুস, আলমডাঙ্গা–গাংনী–আসমানখালী থানার আমির আব্বাস উদ্দিন, কামরুল হাসান সোহেল, জিএ থানার সহকারী সেক্রেটারি মিজানুর রহমান, জিএ থানার ওলামা সভাপতি মাওলানা আব্দুল মালেক, চিৎলা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবু বকর সিদ্দিক, ইমরান যুব বিভাগের সভাপতি আল আমিন, ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি জহুরুল ইসলাম, ইউনিয়ন ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা আল আমিন, ওয়ার্ড সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানসহ আমিরুল ইসলাম, লোকমান হাকিম, শাহজাহান আলম বেল্টু, নাসির উদ্দিন ও হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
সমাবেশটি পরিচালনা করেন চিৎলা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি রবিউল ইসলাম।
বক্তারা অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণাকালে দাড়িপাল্লা প্রতীকের নারী সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের মারধর করা হয়, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং ধাক্কাধাক্কির পাশাপাশি অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। এমনকি কয়েকজন নারী সমর্থকের হিজাব টেনে খুলে ফেলার ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।
বক্তারা বলেন, নারী সমর্থকদের ওপর এ ধরনের হামলা গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। তারা আরও বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
এদিকে একই দিন দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে দৌলাতদিয়াড় ও চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (জজ সাহেবের বাড়ি) থেকে মাথাভাঙা নদীর তীর পর্যন্ত গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করা হয়। এছাড়াও বিকেল ৫টায় আসমানখালী বাজারে একটি নির্বাচনী সভা এবং আলমডাঙ্গার লায়লা কনভেনশনে হাজীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।