
শরীফ ফায়েজুল কবীর,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
মাদারীপুর সদর উপজেলার দুধখালী ইউনিয়নের ৫৪ নং পাতিলাদি সরকারী প্রাইমারী স্কুলের গাছ ও স্কুল বেঞ্চের কাঠ দিয়ে নিজ বাড়ীর ব্যক্তিগত আসবাবপত্র তৈরীর অভিযোগ উঠেছে উক্ত স্কুলের দপ্তরী ও নৈশপ্রহরী সৈয়দ মোঃ কাওছারের বিরুদ্ধে। এতদসংক্রান্ত একটি অভিযোগ বিভাগীয় উপ-পরিচালক, ঢাকার বরাবরে দায়ের করেছেন একই এলাকার সৈয়দ আবুল বাশার। সরকারী সম্পত্তি নিজের বাড়ীতে এনে ঘুমানোর খাট ও চৌকি তৈরী সহ অন্যান্য আসবাবপত্র তৈরী করা আইনের পরিপন্থী এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অভিযোগকারী মাদারীপুর জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকেও অনুলিপি দিয়ে এর সঠিক তদন্ত দাবি করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানিয়েছেন। ঘটনার তথ্য উদঘাটনে বুধবার বিকালে (১৫ এপ্রিল) সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত সৈয়দ কাওছারের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগের বিষয়গুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ব্যক্তিগত দ্বন্দ থেকেই এমন অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমি স্কুলের কোনও কাঠ দিয়ে আমার বাড়ীর কোনোপ্রকার আসবাবপত্র তৈরী করনি, যা কিছু তৈরী করা হয়েছে তা আমার নিজের টাকায় বাজার থেকে কিনে এনে তৈরী করেছি। এ ব্যাপারে উক্ত স্কুলের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ খলিলুর রহমান মীরের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে ২০২৫ সালে যোগদানের পর থেকে এমন কোনো ঘটনা পরিলক্ষিত হয়নি এবং এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তিনি আরো বলেন, আমার আগে প্রধান শিক্ষক ছিলেন রাহিলা খানম -তার কাছে জানতে চাইলে তিনি হয়তো এসব বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন। তবে রাহিলা খানমকে ফোনকলে এবং এলাকায় পাওয়া যায়নি, জানা গেছে তিনি অবসরে চলে গেছেন এবং অন্যত্র বসবাস করেন । উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ঘটনার সুষ্ঠু ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসি।
Leave a Reply