
আবু হোসেন,ডিমলা প্রতিনিধিঃ
নীলফামারী জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ও প্রত্যাশা পূরনে প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনকে টেকনোক্রেট কোটায় মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত এবং অত্র আসনের নারী জাগরণের অগ্রদূত অধ্যাপিকা সেতারা সুলতানাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি দলীয় নেতাকর্মিসহ সর্বস্তরের জনগণের। দেশের অন্যতম জাতীয় রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)এর শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি জোরালো আহ্বান। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেন নীলফামারীর বৃহত্তর উন্নয়ন স্বার্থে তুহিন ভাইকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন-এমন প্রত্যাশা স্থানীয় জনগণ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের। স্থানীয়দের মতে, বহুমুখী দক্ষতা, অগ্রগামী চিন্তা চেতনা, প্রযুক্তিবান্ধব কর্মদৃষ্টি ও সংগঠনের সার্বিক অভিজ্ঞতায় তুহিন ইতোমধ্যেই নিজের সক্ষমতা প্রমান করেছেন। তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে নীলফামারী শিল্প, প্রযুক্তি, আধুনিক অবকাঠামো ও কর্মসংস্থানে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করবে-এমন দৃঢ় বিশ্বাস দিন দিন আরও শক্তিশালী হচ্ছে। একইসঙ্গে,নীলফামারী-১ডোমার-ডিমলা-আসনের সর্বসাধারনের প্রত্যাশা পূরনে, এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধানে এবং অত্র এলাকার নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে সুপরিচিত অধ্যাপিকা সেতারা সুলতানার সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন দাবিও আরও জোরালো হয়েছে। উপজেলা থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত তাঁর দীর্ঘ সক্রিয় রাজনৈতিক যাত্রা সংসদে জেলার অধিকার প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলেই মনে করছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। জোটগত প্রভাবের কারনে নীলফামারীর (ডোমার-ডিমলা) আসনটিসহ সব আসন হাতছাড়া হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত বাস্তবসম্মত মূল্যায়ন দাবি করে। তাই এই দাবি জেলার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও টেকসই অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য প্রয়োজন। সময়োপযোগী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তই নীলফামারীকে অবহেলা ও পিছিয়ে পড়ার চক্র থেকে বের করে এনে দেশের উন্নয়নধারায় যুক্ত করতে পারে। এ জন্য দলের উচ্চপর্যায়ের দ্রুত বাস্তবসম্মত ও ইতিবাচক পদক্ষেপ এখন অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন, ডিমলা উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব আশিক উল ইসলাম লেমন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব হালিমুল হোসেন রাসেলসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।