
লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ
লালমনিরহাট জেলাসহ বৃহত্তর রংপুর বিভাগের উন্নয়ন, বিশেষ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও অবহেলিত জনপদের ভাগ্যোন্নয়নে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের প্রত্যাশায় অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু-কে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান বলে মত প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সাম্প্রতিক সময়ে তিস্তা নদী রক্ষা, কৃষি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবিতে আয়োজিত বিভিন্ন সভা-সমাবেশে স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার এই জেলার সহ রংপুর বিভাগের সাধারণ জনগণ। এ অবস্থায় জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে দরকার শক্তিশালী নেতৃত্ব। আর তাই বিশেষ করে লালমনিরহাট জেলার মানুষ অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু কে কেবিনেট মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।
স্থানীয়দের দাবি, আসাদুল হাবিব দুলু দীর্ঘদিন ধরে উত্তরাঞ্চলের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে জনআস্থা অর্জন করেছেন। বিশেষ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রশ্নে তার অবস্থান স্থানীয়দের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি করেছে।
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী নেতা বলেন, “ লালমনিরহাট এবং রংপুরের উন্নয়নে যিনি ধারাবাহিকভাবে কথা বলেন এবং মাঠে সক্রিয় থাকেন, তাকেই আমরা জাতীয় পর্যায়ে দেখতে চাই।”
একজন কৃষক প্রতিনিধি বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙন, সেচসংকট ও কৃষি ক্ষতির বিষয়গুলো নিয়ে তার সোচ্চার ভূমিকার কারণে কৃষকদের মধ্যেও ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মন্ত্রিত্ব নির্ধারণ সম্পূর্ণভাবে দলীয় ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার বিষয়। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তই এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত।
এদিকে সাম্প্রতিক নির্বাচনে লালমনিরহাট-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী আবু তাহের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৫৬ হাজার ২৪৪ ভোট। দুই প্রার্থীর মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল ৮৩ হাজার ৪০৭।
লালমনিরহাট জেলা সহ বৃহত্তর রংপুর বিভাগের মানুষের প্রত্যাশা, উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এমন নেতৃত্বই সামনে আসবে।