
ফায়েজুল শরীফ,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
মাদারীপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ১ম শ্রেণীর ঠিকাদার সৈয়দ তুহিন হাসানের হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় তার পরিবারের সংবাদ সম্মেলন। আজ সকালে নিহত সৈয়দ তুহিন হাসানের পিতা বীরমুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আবুল হোসেন তার কুকরাইলের নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এসময় বিভিন্ন টিভি, প্রিন্টিং ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। নিহতের পিতা বীরমুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, আমার সন্তান নিহত সৈয়দ তুহিন হাসান শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের একজন প্রতিষ্ঠিত ঠিকাদার ব্যবসয়াী ছিলো। গত ৩১/৭/’২৫ ইং তারিখে সে মাদারীপুর সদরের শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে তার দৈনন্দিন কাজের জন্য যায় এবং সেখানে তাকে চাঁদার টাকার জন্য কতিপয় সন্ত্রাসীরা তাকে নির্মমভাবে খুন করে হার্ট এটাক বলে তা চালিয়ে দেয়। পরে আমাদের ঘটনাটি সন্দেহ হলে এবং তার মাথার পিছন দিকে ও স্পর্শকাতর জায়গায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেলে আমার ছেলের বেতনভুক্ত নাইটগার্ড মোঃ মোশারফ মিয়ার কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি তুহিনের কাছে চাঁদাবাজি ও তাকে শারিরীক নির্যাতনে হত্যার বিষয়টি বর্ণনা করেন। এ প্রেক্ষিতে আমি পিতা হিসাবে আমার সন্তানের হত্যার জন্য গত ৬/৮/’২৫ তারিখ মাদারীপুর সদর মডেল থানায় মামলা রুজু করে সংশ্লিষ্ট আসামীদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের মাধ্যমে হত্যার ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য আবেদন করি। পরবর্তীতে আমার নিহত সন্তানের লাশ আদালত কর্তৃক গত ১৮/৯/’২৬ তারিখ কবর থেকে উত্তোলন পূর্বক মেডিকেল ফরেনসিক রিপোর্টের জন্য পাঠানো হয় এবং সংশ্লিষ্ট আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নেয়ার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বারবার অনুরোধ করি। কিন্তু বিগত ৫ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলেও অজ্ঞাত কারণে হত্যাকারীদের কাউকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিতে পারেনি- যা অত্যন্ত উদ্বেগ ও রহস্যজনক। এমনকি আসামীরা আমাকে সহ আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরকে জীবন হাণি করতে পারে। অথচ আসামীরা বহাল তবিয়তে সবার নাকের ডগায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। আসামী গ্রেফতারের স্বার্থে আমি তাদের নাম আজকের সংবাদ সম্মেলনে গোপন রাখছি। আশাকরি পুলিশ সহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী আসামী গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিবেন এবং ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন।