
আব্দুল হালিম,বিশেষ প্রতিবেদক:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া) ও রংপুর ৬ পীরগন্জ আসনের ফলাফল পুনঃগণনার দাবিতে রংপুরে উক্ত আসনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পীরগাছা -কাউনিয়া ও পীরগন্জ আসনে বিক্ষোভ মিছিল চলছে।
শেষে উপজেলা বিএনপির প্রতিবাদ সভা ডিসি সহ সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার ও চাকুরীচ্যুত দাবী জানিয়েছেন।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, রংপুর-৪ আসনে নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপি হয়েছে। তাদের দাবি, বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে এবং ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্টদের নানা অজুহাতে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্রে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ও অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে বলেও তারা অভিযোগ করেন।
বক্তারা আরও বলেন, প্রায় ৮ হাজার ২৬৩টি ভোট বাতিল দেখানো হয়েছে, যা নিয়ে তাদের গুরুতর সন্দেহ রয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ জানাতে বিএনপির প্রার্থী রংপুরের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার চেষ্টা করলেও তিনি সাক্ষাৎ দেননি বলেও দাবি করা হয়।
সভায় নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভোট পুনঃগণনার ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। একই সঙ্গে অবিলম্বে রংপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সংশ্লিষ্ট ইউএনওকে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, এই আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র সদস্য সচিব আখতার হোসেন শাপলা কলি প্রতীকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৯ হাজার ৪০২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন তিনি। বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজর ৫৬৪ ভোট। পীরগন্জ আসনে প্রার্থী সাইফুলের নেতৃত্বে বিক্ষোফ মিছিল ইউএনও অফিস ঘেরাও করেছেন। আগামী রোববার ডিসি অফিস ঘেরাও কর্মসুচি রয়েছে। উক্ত আসনে ৫ হাজার ৪শ ৫২ ভোট বাতিল দেখানো হয়েছে।