
ফায়েজুল কবীর,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
মাদরীপুর শহরের উপকন্ঠে লক্ষীগঞ্জে রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের আলো জ্বালিয় ঘন্টাব্যাপি ককটেল বিস্ফোরণ ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শ্রমিকদলের কর্মীর বাড়ীতে হামলার ঘটনায় শ্রমিকদলকর্মী উক্ত এলাকার রজ্জব ফকিরের পুত্র রাশেদুল ফকির (৩৫) হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হওয়াসহ আরো ৬/৭ জন আহত হয়েছে। গতকাল (শনিবার) তাকে ঢাকায় পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার পরিবার। এ ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেতা ও সাবেক পৌর ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আক্তার হাওলাদার ও তার দলবলের লোকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন আক্রান্তের পরিবার ও ছাত্রদল মাদারীপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব কামরুল হাসান সহ আরো অনেকে। হামলার ঘটনায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও উপর্যপুরী অর্ধশতাধিক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটনো হয়, তাতে আক্রান্তের পরিবার সহ আশেপাশের বাড়ী-ঘরের মানুষের মধ্যে আতঙ্কের তৈরী হয়। হামলার ঘটনার খবর পেয়ে মাদারীপুর আর্মি ক্যাম্পের একটি টিম, সদর থানা পুলিশ, ডিবি’র সদস্যরা অকূস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। সন্ত্রাসী হামলার এ ঘটনার সুত্রপাতে জানা যায়, বেশ কিছুদিন আগে পূর্ব শত্রুতার জেরে একই এলাকার বাসিন্দা ও পৌর শ্রমিকদলের সভাপতি সোহাগ মুন্সী হত্যার ঘটনায় বাদী পক্ষের মামলায় আওয়ামীলীগ নেতা আক্তার হাওলাদার ও তার আরো কয়েকভাই আসামী হয়। উক্ত মামলায় আক্তার হাওলাদার কয়েকমাস জেল খেটে পরে জামিনে মুক্ত হন। ১২ ফেব্রয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে তারা এলাকায় ফিরে এসে সুযোগ বুঝে রাতের অন্ধকারে তাদের দলবলের লোকজন নিয়ে অর্ধশতাধিক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ রজ্জব ফকিরের বাড়ীতে অতর্কিতে হামলা চালায়। রজ্জব ফকিরের ছেলে ও আত্মীয়রা তখন তা প্রতিহতের চেষ্টা করলে সেখানে রাশেদুল ফকিরের হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সহ ৫/৭ জন আহত হয়। এ ব্যাপারে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।