
সাইদুল ইসলামঃ
আর কোনো দিন ফিরে আসবো না সূর্যের মতো প্রতিদিন সকালে পূর্ব, দিক থেকে পশ্চিম দিকে বহমান করবো না।
সকাল, বিকাল পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনবো না।
“কাউকে ইশারায় ডাকা হবে না,বা কেউ আমাকে আমার নাম ধরে ডাকবে না “।
আস্তে আস্তে করে যেন সবাই আমাকে ভুলতে থাকবে! কয়েক বছর পরে ত আর আমার নাম-ই কেউ উচ্চারণ করবে না, ” এমন ভাবে ভুলতে থাকবে যে আমি পৃথিবীতেই আসি নাই “।
‘হ্যাঁ মানুষ এমন ভাবেই ভুলবে ‘! এই ভুলা শুধু আমার একার জন্য নয়, এই ভুলা পৃথিবীর সমস্ত মানুষের জন্য।
কেই বা তাদের পিতৃপুরুষের কথা মনে রেখেছে। বেঁচে থাকতে ও ত কেউ কেউ আছে পরিচয় ও ধরেতে যায় না। আর সেটা ত মৃত্যুর বহুবছর হয়ে গেছে তার কথায় বা কে সরণ রাখে।
” মানুষ যে একটা পাঠশালা খুলে রেখেছে, আর পাঠশালার নাম-ই হলো অযুহাত” বলতে গেলে ভুলে থাকার জন্য।
কত মানুষ দেখি তাদের কত আপন মানুষ কে কুরবান দিয়ে দেয় একটু শান্তির জন্য। আমি ত এখন ও কারো কাছে ভালো মানুষেই হতে পারলাম না, আপন হওয়া ত বহু দূরের কথা।
আমার মাঝে মধ্যে খুবই ইচ্ছে করে কে সেদিন আমার যাত্রার পথ ধরে হাঁটবে। ” একটা নিস্তব্ধ সময় আমার পাশে কারা থাকবে, সেদিন কার চোখ সমুদ্রের মতো টলমল করবে “।
তোমরা কি আমায় ভুলবে নাকি আজীবন মনে নাম ধরে ডাকবে।
আমরা কোনো দিন মৃত্যুর কথা চিন্তা ও করি না, শুধু চিন্তা হয় ক জীবনে কত দূর পথ আগাতে পারবো, বা তার চেয়ে কত বড় সম্পদ আমি গড়াতে পারবো।
অথচ এই সব কথা চিন্তা করতে করতে আমরা পার করে দেয় জীবনের দিন গুলো মৃত্যুর কথা মনেও থাকে না। হঠাৎ করে করে “একদিন মৃত্যু যেন আমাদের খুব কাছে চলে আসে তখন যেন মনে হয় আমাদের মৃত্যু আছে “। অথচ এই কথা আগে কোনো দিন মনেও হয়নি বা কোনো দিন প্রশ্নও জাগে নি।
সম্পদের পাহাড় গড়ার পিছনে কত দিন ব্যায় হয়েছে তাও যেন হিসাব ঠিক রাখতে পারিনি।
“আমি বাঁচতে চাই বহু দিন বহু বছর তবে সে বাঁচা, বাঁচা – বাঁচতে চাই আমি পৃথিবী মানুষের কাছে কোনো অযুহাত চাড়াই মানুষের মনে “।
পৃথিবী থেকে মানুষ মরিলেই কি মানুষ মরে? মানুষ ত শুধু মরে মানুষের মন থেকে।
“আমি পৃথিবী থেকে মরলেও যেন মানুষের মন থেকে না মরি “।