1. news@dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  2. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরাইলে রুমিন ফারহানার মিটিংয়ে ধাক্কাধাক্কিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ দুর্গাপুরে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান, ৫টি ভেকু নিষ্ক্রিয় শীতার্ত মানুষের পাশে লংকাবাংলা ফাউন্ডেশন, কম্বল পেল তিন শতাধিক অসহায় পরিবার নীলফামারী-২ আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া,লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ড বিসিবি-ক্রিকেটারদের সমঝোতা, আজ থেকে শুরু বিপিএল ভবানীগঞ্জে গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি নিখোঁজের ২০ দিন পর কেরানীগঞ্জে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার উত্তরায় আবাসিক ভবনে ভয়াবহ আগুন, ৩ জনের মৃত্যু আলমডাঙ্গায় মোটরসাইকেল তল্লাশিতে দেশীয় অস্ত্রসহ দুজন আটক হারানো দুর্গ পুনরুদ্ধারে মরিয়া ফখরুল,চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে জামায়াত।

এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী ব্যুরো:

গাড়ির ডালায় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) এক নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অবৈধভাবে অর্জিত প্রায় ৩৭ লাখ টাকা বহন ও স্থানান্তরের অভিযোগে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলামসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজশাহীতে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ। মামলায় মো. ছাবিউল ইসলামের পাশাপাশি আরও দুজনকে সহায়তাকারী আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন বাপ্পি কুমার দাস ও তাঁর ছেলে বিন্তু কুমার দাস।

দুদক ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৪ মার্চ নাটোরের সিংড়া উপজেলায় মো. ছাবিউল ইসলামের ভাড়া করা একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তল্লাশির সময় গাড়ির ডালা থেকে ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এত বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বহনের বৈধ কোনো কাগজপত্র বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। পরবর্তীতে বিষয়টি দুদকের নজরে এলে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসন্ধান শুরু করে।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, উদ্ধার করা অর্থটি মো. ছাবিউল ইসলাম তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন। অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওই অর্থ কোনো বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এর উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করার উদ্দেশ্যেই তিনি অন্যত্র স্থানান্তরের চেষ্টা করছিলেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, মো. ছাবিউল ইসলাম জ্ঞাতসারে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩০০ টাকা ঢাকা মেট্রো-ঘ ১২-৮৭৯৭ নম্বর প্রাইভেট কারে করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ কাজে তাঁকে সহায়তা করেন সহায়তাকারী আসামিরা। অর্থ গোপন রেখে পরিবহন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে দুদক মনে করছে।

মামলার প্রধান আসামি মো. ছাবিউল ইসলাম এর আগে এলজিইডি গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি এলজিইডির সদর দপ্তর আগারগাঁওয়ে সংযুক্ত আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

দুদক জানায়, এ ঘটনায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব ধারায় দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে দুদকের সংশ্লিষ্ট শাখা, যা বর্তমানে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ ও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

দুদকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে কমিশনের অবস্থান কঠোর। প্রভাবশালী বা উচ্চপদস্থ কেউ হলেও দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনের আওতায় আনা হবে। এই মামলাটি সে ধরনেরই একটি দৃষ্টান্ত বলে মনে করছে দুদক।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২৬ আমাদের প্রকাশিত সংবাদ,কলাম,তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট