মামলা সুত্রে জানাগেছে – ভিকটিম একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নারী। আর প্রায় সময় বাড়ীর বাহিরে একাকী অবস্থান ও ঘোরাফেরা করে। ভিকটিমের এই দূর্বলতার সুযোগে গত ইং ৩১/১০/২০২৫ তারিখ বিকাল ০৩.৩০ ঘটিকায় ধৃত আসামি ভিকটিমকে কৌশলে বিস্কুট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অজ্ঞাতনামা স্থানে নিয়ে জোরপূর্বক তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ঘটনার বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য ভিকটিমকে নানা ধরনের ভয়ভীতি হুমকি প্রদর্শন করে। এছাড়াও জানা যায় যে, আসামি ভিকটিমকে পূর্বেও বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের বড় ভাই বাদী হয়ে নীলফামারী জেলা সৈয়দপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ০৩,তাং-০৩/১১/২০২৫ ইং, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং-২০০৩) এর ৯(১)।ঘটনাটি উক্ত এলাকায় জনরোষ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। স্থানীয় জনতা এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং আসামিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য মানববন্ধনও করে। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় তা ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং আসামি গ্রেফতারে সচেষ্ট হয়।ঘটনার পর থেকেই গ্রেফতার এড়াতে আসামি চতুরতার সাথে আত্মগোপনে ছিলো। আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকাল ০৩.২০ ঘটিকায় র্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী এবং র্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট এর একটি যৌথ চৌকস আভিযানিক দল জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল থানাধীন জনৈক মোঃ ফিরোজ (৪৫), পিতা- মোঃ ফয়জুল এর বসতবাড়ীতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ আমিনুল ইসলাম @ আমুল (৫১), পিতা- মৃত বালিয়া, সাং- শ্বাষকান্দর (কুটিপাড়া), থানা-সৈয়দপুর, জেলা- নীলফামারী’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।