1. news@dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  2. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ধরলা পাড়ে ঈদের আনন্দে উপচে পড়া ভিড়, উৎসবমুখর পরিবেশ ঈদের ভোরেও ইসরায়েল-মার্কিন হামলায় কেঁপে উঠল ইরান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে যমুনায় জনস্রোত “ঈদের আলোয় আলোকিত হোক” দেশবাসীকে সম্পাদক ও প্রকাশক কামরুজ্জামান মিলনের আন্তরিক শুভেচ্ছা ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ডিএনসি বগুড়ার উপপরিচালক ইরানে আটকে পড়া ১৮৬ বাংলাদে‌শি‌ আজারবাইজানে পৌঁছেছেন ঈদের দিন ঝড়সহ শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা সারাদেশে প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদুল ফিতর শনিবার কাশিমবাজারে অবৈধ বালু উত্তোলন এক ব্যক্তিকে জরিমানা আমাতলীতে ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন উদ্যোগে ও উপদেষ্টার অর্থায়নে ঈদ সামগ্রী বিতরণ লালমনিরহাটে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার ডিমলায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনে বাধা দেয়ায় চেয়ারম্যান পুলিশসহ আহত দশ ইরানের হামলায় কাঁপল সৌদি-কাতার-কুয়েত-বাহরাইন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ২০ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ লালমনিরহাটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন,ত্রান মন্ত্রী সৌদি আরবে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা নান্দাইলের পোরাবাড়িতে ইসলামী যুব আন্দোলনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ ঠাকুরগাঁওয়ে অনেক পাম্পে নেই তেল; খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ,কেন্দুয়া জহুুর বানু সরঃপ্রাথঃ বিদ্যাঃভবন ও খেলার মাঠের বেহাল দশা ছাত্র-ছাত্রী ভোগান্তিতে

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে

ক্রাইম রিপোর্টারঃ

নেত্রকোনা জেলা কেন্দুয়া উপজেলাধীন গড়াডোবা ইউনিয়নের রামপুর ৬০ নং জহুর বানু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও খেলার মাঠের বেহালদশা ছাত্র-ছাত্রী ভোগান্তিতে শিকার। ইতিমধ্যে জানা যায়, গত ১৯৮৮ সালে বিদ্যালয়টি স্থাপিত এরপর হইতে স্কুলের বিল্ডিং অথবা রিপেয়ারিং এর কোন কাজ না করা। উক্ত বিল্ডিং দিয়ে বৃষ্টি হলে পানি পড়ে, স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী বই খাতা সহ শিক্ষকগণে অফিশিয়াল কাগজ পত্র বিজে গিয়ে নষ্ট যায়। স্কলের মাঠে কাদা থাকায় ছাত্র-ছাত্রীর খেলাধুলার বিঘ্ন ঘটছে । এমত অবস্থাতে স্কুলের পরিবেশ দিন দিন নষ্ট হচ্ছে। তাছাড়া ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকগণ বাচ্চাদেরকে স্কুলে পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করে। এই স্কুলে গত বছর প্রায় ২২০ জন ছাত্র-ছাত্রী লেখাপড়া করত। এ বছর মাত্র ১৫৯ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। উক্ত স্কুলের ৭ জন টিচার থাকার কথা থাকলেও বিদ্যালয়ে মাত্র ৪ জন টিচার রয়েছে। স্কলে যারা টিচার রয়েছেন তারা হলেনঃ প্রধান শিক্ষক/শিক্ষিকা হিসেবে রয়েছেন মোছাঃ নুরনাহার বেগম, সহকারী শিক্ষক আবুল কাশেম, মোঃ এমদাদুল হক, মোঃ সালমানুর সোহাগ। সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান শিক্ষিকা বলেন উক্ত বিদ্যালয়ে জমির পরিমাণ ৫০ শতাংশ বিদ্যালয় ও মাঠ মিলে ৩৫ শতাংশ আর ১৫ শতাংশ জমিতে ধান চাষের জন্য প্রতিবছর বর্গা হিসাবে ২৫০০ টাকা বগরা মালিকের কাছ থেকে নেওয়া হয়।ওই টাকা স্কুলের পান্ডে জমা দেওয়া হয়। তাছাড়া স্কুলের পিয়ন, আয়া, নাইট গার্ড কিছুই নেই। এই কাজ গুলো হলে, ছাত্র-ছাত্রীর আগ্রহ ও অভিভাবকগণ বাচ্চাদেরকে স্কুলে পাঠাতে অতি আগ্রহ পোষণ করবে। তাছাড়া স্কুলের পরিবেশ সৌন্দর্য বেড়ে যাবে। এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকের সুদৃষ্টি কামনা করছে ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক গণ এবং শিক্ষকগণ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২৬,আমাদের প্রকাশিত সংবাদ,কলাম,তথ্য,ছবি,কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট