1. news@dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ : দৈনিক আলোকিত নিউজ
  2. info@www.dainikalokitonews.com : দৈনিক আলোকিত নিউজ :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হোমনার কৃতি সন্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী দেলোয়ার মমিন ৫০ লক্ষ টাকার মানবিক সহায়তা প্রদান বরগুনার আমতলীতে সদর ইউনিয়নে ধানের শীর্ষের নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাময়িক বরখাস্ত চুয়াডাঙ্গায় নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ আমরা একাত্তরকে ভুলবো না, চব্বিশকেও না: মহাসচিব মির্জা ফখরুল বিমানের এমডির বাসায় নির্যাতিত শিশু,ক্ষুধার যন্ত্রণায় টিস্যু খেতাম শোবিজকে বিদায় জানালেন নওবা তাহিয়া, দ্বীনের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত পিছু হটেছে মার্কিন রণতরী, চলে গেল ১,৪০০ কিলোমিটার দূরে শতকরা ৩০ ভাগ ভোটার মার্কা নয়, প্রার্থী দেখে ভোট দেবেন : রুমিন ফারহানা। সেনানিবাসে ব্যক্তিগত অস্ত্র বা গানম্যান নেওয়ার বিধান কী?

পাবনার সুজানগরে ইউএনওর কক্ষে ঢুকে জামায়াত নেতাদের বেধড়ক মারলেন বিএনপি নেতারা, ইউএনওকে হুমকি

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০২৫
  • ১৬১ বার পড়া হয়েছে

জাহাঙ্গীর হোসেন,পাবনা প্রতিনিধিঃ

পাবনার সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) সামনেই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমিরসহ চার নেতাকে বেধড়ক মারধর করছেন বিএনপি নেতারা। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামানের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।আহত চার জামায়াত নেতা হলেন- উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ফারুক-ই আজম, সেক্রেটারি টুটুল বিশ্বাস, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি ওয়ালিউল্লাহ বিশ্বাস ও সাবেক কাউন্সিলর মোস্তাক আহমেদ।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে জামায়াতের চার নেতা কোনো একটি কাজে ইউএনও অফিসে যান; কিন্তু ইউএনও অন্য একটি কাজে ব্যস্ত থাকায় জামায়াত নেতারা অফিসে বসে অপেক্ষা করতে থাকেন। এ সময় উপজেলা বিএনপির সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মজিবর রহমানের নেতৃত্বে কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী ‘বালু উত্তোলন বন্ধ করেছেন কেন’- এটা জানতে ইউএনওর কাছে যান। সেখানে আগে থেকেই বসে থাকা জামায়াত নেতাদের দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপি নেতারা বলেন- ‘এরা কেন এখানে বসে থাকে?’ এ কথা বলেই বিএনপি নেতারা ইউএনওর কক্ষ থেকে বের হয়ে আরও কয়েকজনকে ডেকে আনেন। এরপরই বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান, বাবু খা, মানিক খা, আব্দুল বাছেদ, আরিফ শেখসহ বিএনপির ৩০-৪০ জন নেতাকর্মী ইউএনওর কক্ষে ঢুকে ওই জামায়াত নেতাদের কিল-ঘুষি, লাথিসহ বেধড়ক মারধর করেন। এতে জামায়াত নেতারা গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সুজানগর বাজারে কিছুদিন আগেও দিনদুপুরে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি করেছে এসব সন্ত্রাসীরা। উপজেলাজুড়ে তারা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে। সবাইকে জিম্মি করে রাখছে এই চক্রটি। ইউএনওকে এর আগেও তারা কয়েকবার হুমকি দিয়েছে।
এদিকে জামায়াত নেতাদের পিটিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় উপজেলাজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর জামায়াতের উপজেলা আমির কেএম হেসাব উদ্দিনসহ কয়েকশ নেতাকর্মী ইউএনও অফিসে ছুটে আসেন এবং ঘটনার প্রতিবাদ জানান। এ সময় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়।বিষয়টি নিয়ে ইউএনওর সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত দেন-দরবার চলে। পরে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম বিশ্বাস, সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ ও যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘যারা আজকের ঘটনার সঙ্গে জড়িত এসব সন্ত্রাসী আমাদের দলের হতে পারে না। আমরা বলেছি- যারা অপরাধী তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিতে। এদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আলোচনা করা হবে।’সুজানগর উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন বলেন, ‘সুজানগরে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করায় বিএনপির এসব ক্যাডাররা ইউএনওকে মারধর ও তুলে আনার জন্য যায়। এসময় জামায়াত নেতারা বাধা দিলে তারা বেধড়ক মারধর করেছে। ইউএনওকেও কয়েকদফা মারধর করতে গেলে ঠেকিয়ে দেওয়া হয়। পরে মারতে না পেরে অশ্লিল ভাষায় গালিগালাজ করেছে তারা ও দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে।’তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘৫ আগষ্টের পর এসব নেতারা সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির গডফাদার হয়েছে। চাঁদাবাজি, অবৈধ বালু উত্তোলন, মাদক কারবারি, চুরি-ডাকাতি, অপহরণ-ছিনতাই থেকে শুরু করে সব অপকর্ম করে বেড়ালেও এদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আমরা সাংগঠনিকভাবে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করব।’এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান অভিযুক্ত মজিবুর রহমান খান ও মানিক খানের সঙ্গে যোগাযোগ করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।সুজানগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতরা এখনও মামলা করেত আসেননি। তারা এলেই মামলা নেওয়া হবে।’ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামান বলেন, ‘বিষয়টি দুঃখজনক। যেহেতু আমার কক্ষে মারধরের ঘটনা ঘটেছে ও সরকারি কাজে বাধা দানের ঘটনা ঘটেছে কাজেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২৬ আমাদের প্রকাশিত সংবাদ,কলাম,তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট