
স্টাফ রিপোর্টারঃ
সেলফি বাস মানে মৃত্যুর ফাঁদ তারপরও মানুষ কেন জেনো অতীব তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে এই মরণ ফাঁদে পা দেয়।
শত শত মায়ের বুক খালি হয়ে গেল এই সেলফি ও নীলাচল বাসের উর্দু গতির কারণে। দেখার কেউ নেই শোনার ও কেউ নেই বুঝার কেউ নেই।
ঢাকা জেলা ও মানিকগঞ্জ জেলার প্রশাসন এবং নেতৃবৃন্দ যারা আছেন,এই বাস মালিক সমিতির সবাই টাকার কাছে অন্ধ। একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটতেই আছে।
কোন প্রতিকার নেই হাজারো রিপোর্ট ও মানববন্ধন করে কোন লাভ হয় নাই।
যে সমস্ত সাধারণ জনগণ এই রোডে চলাচল করে তাদের কাছে জানতে পারা যায়। সেলফি ও নীলাচল বাস গুলো একেবারেই বেপরোয়া, আর ভাড়ার দিক থেকে সর্বময় সময় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে একমাত্র বাসস্ট্যান্ডে – বাসস্ট্যান্ডে চাঁদার কারণে। তেলের দাম যদি বাড়ে প্রতি লিটারে ২ টাকা তারা মাথাপিছু ভাড়া বাড়িয়ে দেন ১০ টাকা।
কিছুদিন আগেও প্রতি লিটারে তেলের দাম কমে ছিল, কই তখন তো ভাড়া কমলো না এক টাকাও? যেমন দেশের রাজনীতি তেমন দেশের নেতা।