
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
নেত্রকোনা জেলা কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের মৃত হোছেন আলীর ছেলে মোঃ সাইদুল ইসলাম মোঃ হাদিস মিয়া এই প্রভাবশালী দুই ভাই মিলে জমি বিক্রির নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, সাধারণ জনগণ ভোগান্তিতে শিকার। সূত্রে জানা যায় গত প্রায় ৩ বছর হয় উভয়ে মিলে প্রায় ১৩ শতাংশ জমি বিক্রি করেছিল,একই গ্রামের মৃত আব্দুল জাহেদ মিয়া ছেলে মোঃ আবদুল আওয়াল মিয়ার কাছে সেই জমি দলিল করে দিবে দিবে আশ্বস্ত প্রদান করে গ্রামের সহজ সরল আওয়াল এর কাছ থেকে দাফে দাফে প্রায় ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে কিন্তু জমি দলিল করে এখনো দেওয়া হয়নি।এই নিয়ে পুরো গ্রাম ও এলাকা জুড়ে আলোচনা ও সমালোচনা ঝড় উঠে,এই খবর এলাকা ছড়িয়ে পড়লে ,ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে ভোক্তভোগী পরিবারবর্গ সহ গ্রাম ও বাসীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন দুই ভাই মিলে গ্রামের বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে জমি বিক্রির কথা বলে প্রলোভন এর মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এই নিয়ে ৩ বার গ্রাম্য শালিস বৈঠক বসলেও বিষয়টি সুরাহা হয় এবং যে জমি বিক্রি করে ছিল সেই জমি আওয়াল কে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে কিন্তু দলিল দেওয়া হয়নি। এই দুর্বলতার সুযোগে প্রভাবশালী ব্যক্তি মোঃ হাদিস মিয়া বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন প্রতিপক্ষ মোঃ আবদুল আওয়াল সহ কয়েকজন জন কে আসামি করে। এই নিয়ে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ ব্যাপারে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ভোক্তভোগী পরিবারবর্গ চিৎকার করে বলেন আমরা বিচার চাই, আমরা প্রশাসনের সাহায্য চাই, যে জমি কিনেছি সেটা দলিল বা টাকা ফেরত চাই এবং আমাদের নামে যেহেতু মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন অভিযোগ করে হয়রানি করছে এই অভিযোগ প্রত্যাহার চাই, আপনারা যারা সাংবাদিক বা মানবাধিকার কর্মীগণ এসেছেন পুরো গ্রাম জুড়ে যাচাই করে দেখেন আসলেই কি আমার কাছে জমি বিক্রি করেছে কিনা। সাইদুল ও হাদিস উভয়ই এই প্রতারক এবং পরধন লোভী,চরিত্রহীন লম্পট লোক।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর পদক্ষেপ কামনা করছে, ভুক্তভোগী পরিবারবর্গ গ্রামে সাধারণ জনগণ। যারা তারা হলেন মোঃ সেলিম মিয়া, সাইকুল মিয়া, মোঃ বাবুল মিয়া, মোঃ সাহেদ মিয়া, মোঃ বিল্লাল মিয়া,মোঃ খোকন মিয়া, মোঃ কামাল মিয়া, মোঃ শাহজাহান মিয়া, আব্দুল মজিদ, মোঃ সাদেক মিয়া, মোঃ হাব্বিউল্লাহ ,মোঃ শামীম মিয়া, আবুল বাদশা, মাসুদ মিয়া, রফিকুল ইসলাম, মোঃ স্বপন মিয়া,রিপন মিয়া, তফসিল উদ্দিন, মোঃ আতাবুর রহমান, মোঃ আবু তাহের মিয়া, মোঃ সুরাফ উদ্দিন, আজিজুল মিয়া, মোঃ সুজন মিয়া, এমদাদুল হক, শেখ সাদি, মোঃ শামীম মিয়া,মোছাঃ রুভা আক্তার, সুফিয়া আক্তার, অরুন আক্তার, মুমিনা আক্তার, রহিমা খাতুন, রিনা আক্তার, নাজু আক্তার, নাসিমা আক্তার, আছিয়া খাতুন সহ আরো অনেকেই প্রমুখ। প্রকাশ থাকে যে উক্ত ঘটনা পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা চলবে।