
রোকসানা কাজল,স্টাফ কোয়ার্টারঃ
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোঃ ইসরাইল হাওলাদার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে তার নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়।
নিয়োগের সময়ে গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও জনগণের সঙ্গে পুলিশ সমন্বয় বাড়ানোর প্রার্থনায় তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বর্তমানে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) কমিশনার। পূর্ববর্তী দায়িত্ব: শিল্পাঞ্চল পুলিশের ডেপুটি ইনস্পেক্টর জেনারেল (DIG) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
ডিএমপি-অভিজ্ঞতা: তার কর্মজীবন ছিলো ঢাকার সঙ্গে যুক্ত অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম ও অপারেশনস) হিসেবে তিনি আগে কাজ করেছেন। ক্যারিয়ার ব্যাচ: তিনি বিসিএস পুলিশ ক্যাডার, ১৭তম ব্যাচের কর্মকর্তা গার্ড অফ অনারে স্বাগত গ্রহণের সময় তিনি আইনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা এবং সড়ক নিরাপত্তা জোরদার করার অঙ্গীকার করেছেন।
পূর্ব কমিশনার অবসরে যাওয়া: তার আগে গাজীপুর কমিশনার হিসেবে ছিলেন নাজমুল করিম খান, যাকে জননিরাপত্তা দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ, এবং পরে তার কর্মাচ্যুতি করা হয়।
অতিরিক্ত পরিবর্তন: তার নিয়োগের পাশাপাশি ছয় জেলার পুলিশ সুপার (SP) বদলির সিদ্ধান্তও ছিল।
জনতার প্রত্যাশা: গাজীপুরের নাগরিকরা নতুন কমিশনারের কাছ থেকে নিরাপত্তা, দ্রুত সাড়া এবং অপরাধ দমন কর্মকাণ্ডে আরও কার্যকরী পদক্ষেপ আশা করছেন।
চ্যালেঞ্জ ও দিকদর্শন
অপরাধ ও জনসংখ্যা চাপ: গাজীপুর একটি দ্রুত উন্নয়নশীল মেট্রোপলিটন এলাকা; জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে অপরাধ জট এবং সড়ক নিরাপত্তা সমস্যা বাড়ে চলেছে নতুন কমিশনারকে এই চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করতে হবে জননিরাপত্তা বাড়াতে পুলিশের এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশ্বাস গড়াই এক বড় কাজ।
সংশ্লিষ্ট সরকারের সমন্বয়: স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও নাগরিকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। দায়িত্বে নতুন আসার সময়ে জনগণের নজর থাকবে তার সিদ্ধান্ত ও কাজের স্বচ্ছতা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
ইসরাইল হাওলাদার গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার পদে নিযুক্ত হওয়ায় একটি নতুন দৃষ্টিকোণ এবং সম্ভাবনা এসেছে। তার অভিজ্ঞতা এবং আগের দায়িত্বগুলো বিবেচনায় রেখে, জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষা করার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবেন বলে অনেকেই আশা করেন। তবে চ্যালেঞ্জ কম নয়, এবং তার সফলতা নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে গাজীপুর পুলিশিংয়ে।