
স্টাফ রিপোর্টারঃ
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কুতুবগাড়ির ধাক্কায় একজন নিহত, গুরুতর আহত আরও দুইজন। ছেলেকে মাদ্রাসা থেকে আনতে যাওয়ার পথে বেপরোয়া কুতুবগাড়ির ধাক্কায় সম্পা খাতুন (৩৩) নামের এক মায়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ভ্যানচালক আরিফ ও এনজিওকর্মী মোটরসাইকেল আরোহী আতাউর রহমান। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে পৌরসদরের কালিবাড়ি–ভাঙ্গুড়া সড়কের কুমড়াডাঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সম্পা খাতুন পৌরসদরের মেন্দা সাহাপাড়া এলাকার লিটনের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনের মতোই দুপুরে ছেলেকে আনতে ভ্যানযোগে রওনা হয়ে ছিলেন তিনি। মাদ্রাসায় ছুটি হওয়ার আগেই সন্তানকে নিয়ে ঘরে ফেরার তাড়াহুড়া ছিল তার মনে। হঠাৎ কুমড়াডাঙ্গা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া কুতুবগাড়ি ভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার সঙ্গে সঙ্গে সম্পা সড়কে ছিটকে পড়ে যান এবং কুতুবগাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। মুহূর্তেই নিভে যায় এক শিশুর পুরো পৃথিবী যে হয়তো তখনও ভাবছিল, ‘মা আসবে তাকে নিতে ‘। এ সময় ভ্যানচালক আরিফ ও পাশ দিয়ে যাওয়া মোটরসাইকেলের আরোহী এনজিওকর্মী আতাউর রহমানও গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সম্পাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং অপর আহত দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো পরামর্শ দেন।
এ বিজয়ে ভাঙ্গুড়া থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার সঙ্গে জড়িত ঘাতক কুতুবগাড়ি ও এর চালককে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।