র্যাব-১৩ এর অভিযানে দুই শিশুকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রধান আসামি গ্রেফতার
প্রকাশিত:
শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
১২৩
বার পড়া হয়েছে
ফিরোজ মাহমুদ রংপুর,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
বাংলাদেশ আমার অহংকার’- এই মূলমন্ত্রকে বুকে ধারন করে এলিট ফোর্স র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন চাঞ্চল্যকর হত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, রাহাজানিসহ মারাত্মক সব সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এবং শিশুদের প্রতি সহিংসতার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে র্যাব অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে থাকে।নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে
৩১/১০/২০২৫ তারিখ সকাল ০৯.৩০ ঘটিকায় সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৩, সিপিএসসি, রংপুর এর একটি চৌকস আভিযানিক দল লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম থানাধীন মোহাম্মদপুর গ্রামের জনৈক মোঃ জুয়েল হোসেন (৬৫), পিতা- মৃত মোকছেদ আলীর বসতবাড়ীতে অভিযান পরিচালনা করে হত্যা মামলার পলাতক আসামী মোঃ আজাহারুল ইসলাম (৩৮), পিতা- মৃত পেনসুল, সাং- সিট পাইকান, থানা- গংগাচড়া, জেলা- রংপুর’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। মামলা সুত্রে জানা যায় যে, গত ইং ০৫/০৮/২০২৫ তারিখ সকাল ০৯.৩০ ঘটিকায় প্রতিদিনের ন্যায় ভিকটিম শিশু ১। আব্দুর রহমান (০৮) ও ২। মারুফ (০৬) গংগাচড়া থানা এলাকার ঘাঘট নদী সংলগ্ন এলাকায় বালু উত্তোলন পয়েন্টে পাথর কুড়ানোর উদ্দেশ্যে যায়। শিশুদ্বয় পাথর কুড়ানোর কারনে ধৃত আসামি মোঃ আজাহারুল ইসলাম (৩৮) ভিকটিম তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে সহযোগী আসামিগণের সহায়তায় নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং গুম করার উদ্দেশ্যে বালু উত্তোলন পয়েন্টে বালু চাপা দিয়ে রাখে। ভিকটিম শিশুরা বাসায় সঠিক সময়ে না ফেরায় তাদের অভিবাবকগণ খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ধৃত ০১ নং আসামির বালু উত্তোলন পয়েন্টে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তাদের মৃতদেহ খুঁজে পায়। পরবর্তীতে শিশুদ্বয়ের পিতা মোঃ আব্দুর রশিদ এবং মোঃ জাকেরুল ইসলাম বাদী হয়ে রংপুর জেলার গংগাচড়া মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১২/২৬১, তাং-০৭/০৮/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০। ঘটনাটি উক্ত এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং আসামি গ্রেফতারে সচেষ্ট হয়।
পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও এ ধরনের প্রতিটি সহিংস ঘটনার প্রতিরোধে র্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে কাজ করছে বলে জানাগেছে।